Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ৭ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

যশোরের মনিরামপুরে বস্তাবন্দি অবস্থায় ঘের ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
নভেম্বর ৭, ২০২৬ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মশিয়াহাটীর হেলারঘাট এলাকায় নদীর পানিতে বস্তাবন্দি অবস্থায় রঞ্জন মণ্ডল (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৭ নভেম্বর) স্থানীয় এলাকাবাসী মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। এ ঘটনায় মনিরামপুর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত রঞ্জন মণ্ডল যশোরের কেশবপুর উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের কালিচরণপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মৃত হরিপদ মণ্ডল। তিনি পেশায় একজন ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে কয়েকজন ব্যক্তি মাছ ধরতে যাওয়ার সময় মশিয়াহাটীর হেলারঘাট এলাকায় রমেশের পাটার কাছে নদীর পানিতে একটি বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহ ভাসতে দেখতে পান। বিষয়টি তাঁদের কাছে সন্দেহজনক মনে হলে তাঁরা আশপাশের লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে এবং এলাকায় নানা আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ এবং নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তাঁরা নদীর পানিতে থাকা বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করেন।

মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক জানান, বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের সময় রঞ্জন মণ্ডলের পরনে ছিল কালো রঙের প্যান্ট ও হলুদ রঙের শার্ট। শার্টের ভেতরে ছিল সাদা রঙের স্যান্ডো গেঞ্জি। তাঁর চোখে পাওয়ার চশমা ছিল। শার্টের পকেটে একটি কলম ও ডায়েরি পাওয়া যায়। এ ছাড়া তাঁর ডান হাতে একটি তামার আংটি এবং পায়ে চকলেট রঙের স্যান্ডেল ছিল।

তবে রঞ্জন মণ্ডলের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং কী কারণে তাঁর মরদেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় নদীর পানিতে পাওয়া গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি হত্যাকাণ্ড, দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়েও পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে কেশবপুর উপজেলার কালিচরণপুর গ্রামের একজন ঘের ব্যবসায়ীর মরদেহ পার্শ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার নদীর পানিতে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। কীভাবে তিনি সেখানে পৌঁছালেন, তাঁর মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে অপেক্ষা করছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন, মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।