
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। একই রাতে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ওই অঞ্চলে আরও দুটি ভূমিকম্পের খবর জানিয়েছে ভারতের জাতীয় ভূকম্পনবিদ্যা কেন্দ্র (এনসিএস)। এর মধ্যে একটি ছিল ৫ মাত্রার এবং অন্যটি ৫ দশমিক ২ মাত্রার।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিটে তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে এনসিএস। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন এলাকা থেকে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭৩ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর কেন্দ্র।
এর প্রায় ৩৯ মিনিট পর, রাত ৮টা ৪২ মিনিটে একই অঞ্চলে ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের বাসার এলাকা থেকে প্রায় ৩২৩ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার গভীরে।
এ ছাড়া একই দিন রাত ৮টা ২৯ মিনিটে চীনের অন্য একটি এলাকায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এনসিএসের তথ্য অনুযায়ী, এর উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন এলাকা থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার গভীরে।
তিব্বতে এই ভূমিকম্পের ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন কয়েক সপ্তাহ আগেই নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটেছিল।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টের ওই দুর্যোগে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নেমে আসা বন্যার পানি নেপালের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বহু বাড়িঘর ও ভবন ভেসে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
সর্বশেষ ভূমিকম্পগুলোর ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: এনডিটিভি