
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে খেলোয়াড়দের লাল কার্ড দেখার সংখ্যায় ১০০-এর মাইলফলক পেরিয়েছে চেলসি। টটেনহামের বিপক্ষে হারের ম্যাচে কোল পালমারের লাল কার্ডের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে ক্লাবটির এই বিব্রতকর পরিসংখ্যান।
গতকাল স্টামফোর্ড ব্রিজে টটেনহামের কাছে ২–০ গোলে হারে চেলসি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ইংল্যান্ডের ২৪ বছর বয়সী উইঙ্গার কোল পালমারকে। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ৪১টি এবং চেলসির হয়ে ১৪১টি ম্যাচ খেলা পালমার সিনিয়র ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো লাল কার্ড দেখলেন।
পালমারের এই বিদায়ের মধ্য দিয়ে প্রিমিয়ার লিগে চেলসির খেলোয়াড়দের লাল কার্ডের মোট সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে এভারটন ও আর্সেনালের পর তৃতীয় ক্লাব হিসেবে এই সংখ্যায় পৌঁছেছে চেলসি।
প্রিমিয়ার লিগের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, লাল কার্ডের সংখ্যায় চেলসির পরেই রয়েছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। ক্লাবটির খেলোয়াড়েরা এখন পর্যন্ত ৯৬টি লাল কার্ড দেখেছেন।
অন্যদিকে, ম্যানচেস্টারের দুই ক্লাব এখনো এই তালিকায় শতকের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি। ম্যানচেস্টার সিটির খেলোয়াড়েরা ৭৮টি এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলোয়াড়েরা ৭৭টি লাল কার্ড দেখেছেন।
চলতি প্রিমিয়ার লিগেও লাল কার্ড দেখার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলতি মৌসুমে মোট ১২ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছেন। ব্রেন্টফোর্ড ও সান্ডারল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা এর মধ্যে দুটি করে লাল কার্ড পেয়েছেন।
চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত চেলসির লাল কার্ডের সংখ্যা একটি। তবে আগের মৌসুমের পরিসংখ্যান ক্লাবটির জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে। ২০২৫–২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে বেশি, মোট আটটি লাল কার্ড দেখেছিলেন চেলসির খেলোয়াড়েরা।
তবে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখার রেকর্ড এখনো চেলসির নয়। ২০০৯–১০ মৌসুমে সান্ডারল্যান্ড এবং ২০১১–১২ মৌসুমে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের খেলোয়াড়েরা নয়টি করে লাল কার্ড দেখেছিলেন। প্রিমিয়ার লিগের এক মৌসুমে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড।
পালমারের প্রথম লাল কার্ড তাই শুধু তাঁর ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের একটি ঘটনা নয়; এর মধ্য দিয়ে প্রিমিয়ার লিগে চেলসির শৃঙ্খলাজনিত সমস্যার পরিসংখ্যানও নতুন করে সামনে এসেছে।