
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মাওলানা কবির আহমেদের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের বোয়ালজানা গ্রামের আতহারুল উলুম মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে ১৪ বছর বয়সী ঐ কিশোরীকে মুহতামিমের সঙ্গে দেখতে পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সন্দেহ হয়। পরে তারা দ্রুত মাদ্রাসার ভেতর প্রবেশ করলে মুহতামিম মাওলানা কবির আহমেদ ও কিশোরী দুই দিকে পালিয়ে যান। এ সময় ঘটনাস্থলে কনডম পড়ে থাকতে দেখার কথাও জানান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে বারহাট্টা থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাদ্রাসার সভাপতি সাইদুল ইসলাম অভিযুক্ত মুহতামিমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই সভা বা বৈঠকের মাধ্যমে মুহতামিমকে মাদ্রাসা থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এদিকে, সাহতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাজু এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এলাকায় এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
| বিষয় / ক্ষেত্র | বিবরণ ও মূল তথ্য |
|---|---|
| ঘটনার স্থান | আতহারুল উলুম মাদ্রাসা, বোয়ালজানা গ্রাম, সাহতা ইউনিয়ন, বারহাট্টা, নেত্রকোনা |
| অভিযুক্ত ব্যক্তি | মাওলানা কবির আহমেদ (মুহতামিম বা পরিচালক) |
| পুলিশের বক্তব্য | ঘটনা তদন্তাধীন; লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা (ওসি চম্পক দাম) |
| ম্যানেজিং কমিটি | বৈঠকের মাধ্যমে মুহতামিমকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া (সভাপতি সাইদুল ইসলাম) |