
পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষা, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন রাখার ওপরও সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রোববার রাতে সচিবালয়ে পোশাকশিল্পের উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর মজুরি বোর্ড গঠনের বিধান রয়েছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় থাকলেও সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আগেই বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধির নাম পেতে সামান্য বিলম্ব হলেও শনিবার রাতে তা পাওয়ার পর রোববার সকালেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে আলোচনার পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও সহিংস আন্দোলন, পুলিশের গাড়িতে আগুন ও কারখানায় অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেשণে উঠে এসেছে যে, নিরীহ পোশাক শ্রমিকদের ব্যবহার করে সীমান্তের ওপার থেকে একটি কুচক্রী মহল দেশে অস্থিতিশীলতা ও রপ্তানি বাণিজ্য ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
আন্দোলনের মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো দ্রুত চালুর আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মালিক ও শ্রমিকদের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে হবে। রপ্তানির পণ্য উৎপাদন কোনোভাবেই যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
| বিষয় / ক্ষেত্র | বিবরণ ও মূল তথ্য |
|---|---|
| প্রধান নির্দেশদাতা | তারেক রহমান (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী) |
| সংবাদ ব্রিফিংকারী | সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) |
| সাম্প্রতিক উদ্যোগ | শ্রমিক প্রতিনিধিদের নাম প্রাপ্তির পর নতুন মজুরি বোর্ড গঠন ও প্রজ্ঞাপন জারি |
| সরকারের অবস্থান | উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা এবং নাশকতা ও বহিঃশত্রুর ইন্ধন কঠোরভাবে দমন |