![]()
তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের নতুন মজুরি আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই কার্যকর করার জোর দাবি জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে মজুরি বোর্ডের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিলম্ব না করে দ্রুত ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে মজুরি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। প্রয়োজনে সারা রাত ধরে বৈঠক করেও দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর কথা বলেছেন শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
সোমবার সকালে শ্রম ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নেতা বাবুল আক্তার বলেন, আগের মতো ১৫ দিন পর পর বৈঠক কিংবা প্রতিনিধি দেশের বাইরে থাকার অজুহাতে আলোচনা দীর্ঘায়িত করা চলবে না। একটি বৈঠকের পর মাত্র এক বা দুই দিন বিরতি দিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজনে সারা রাত বৈঠক করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মজুরি চূড়ান্ত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের শ্রমিক পক্ষের স্থায়ী প্রতিনিধি ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা আনোয়ার হোসাইন। তিনি জানান, আজ কিংবা কালকের মধ্যেই শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে দ্রুত মজুরি বোর্ডের সভা আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে বোর্ড গঠনের কথা থাকলেও তা অনেক দেরিতে করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের আন্দোলন দমাতে বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা ও সাধারণ শ্রমিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। আটক শ্রমিকদের দ্রুত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে সাধারণ শ্রমিকদের উদ্দেশে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়া অহেতুক আন্দোলন-সংগ্রামে না জড়িয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান শ্রমিক নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে নাজমা আক্তার, মোছা. সুলতানা বেগম, লাভলী ইয়াসমিন, খালিকুজ্জামান লিপু ও সোহেল রানাসহ অন্যান্য শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
| বিষয় / ক্ষেত্র | বিবরণ ও মূল তথ্য |
|---|---|
| সংবাদ সম্মেলনের স্থান | শ্রম ভবন, ঢাকা (সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬) |
| প্রধান দাবি | জানুয়ারি ২০২৭ থেকে নতুন মজুরি কার্যকর এবং ধারাবাহিক বৈঠক |
| সভাপতিত্ব ও বক্তব্য | আনোয়ার হোসাইন (শ্রমিক দল) ও বাবুল আক্তার (শ্রমিক নেতা) |
| অন্যান্য দাবি | গ্রেপ্তার শ্রমিকদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দ্রুত বোর্ড সভা আহ্বান |