
বিশ্বসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় পপতারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে সংগীতজগতে দাপটের সঙ্গে পথচলা এই মার্কিন গায়িকা পরিচিত ‘পপ প্রিন্সেস’ নামে। তবে এবার গান বা ক্যারিয়ার নয়, পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে আলোচনায় এসেছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ‘আপটাউন গার্লস’ সিনেমার একটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করে দীর্ঘ একটি পোস্ট দেন ব্রিটনি। সেখানে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া আচরণের কথা তুলে ধরে নিজের জন্য নতুন পরিবার খুঁজে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।
পোস্টে ব্রিটনি অভিযোগ করেন, পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে দাসের মতো আচরণ করেছেন। এমনকি নিজের পরিবারের কাছেও তিনি অবহেলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন এই সংগীতশিল্পী।
ব্রিটনি লেখেন, ‘আমি নতুন পরিবার খুঁজে নেব! কোভিডের সময় লুইজিয়ানায় দুই সপ্তাহের সফরে গেলেও জেমি লিন আমাকে একবারের জন্যও আইভিকে কোলে নিতে দেয়নি। আর কেভিনের বাড়িতে সন্তানদের আনতে গেলে আমাকে বাথরুমও ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না।’
পরিবারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, তার আড়ালে অনেক কিছু করা হয়েছে, যা তার কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছিল। অথচ তিনি শুধু বাবার জন্য কাজ করে গেছেন। পরিবারের কাছ থেকে এমন আচরণ পাওয়ার পর নতুন পরিবার খুঁজে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।
নিজের খাবার ও নিরাপত্তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ব্রিটনি। পোস্টে তিনি মানুষে মানুষে ভালোবাসা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এর আগেও ভ্রমণের একটি অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এই পপতারকা। তার অভিযোগ, আলোকচিত্রীদের ছবি তোলার প্রস্তুতির সময় তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপেক্ষায় রাখা হয়েছিল। পরে বাইরে নিয়ে যাওয়ার পুরো ঘটনাকে ‘বড় ধরনের পরিকল্পিত ফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে এর আগেও একাধিকবার আলোচনায় এসেছেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। সর্বশেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্টে পরিবারের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।