ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামনিয়া বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ২২৮টিরও বেশি স্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
আকরামনিয়ার দাবি, ক্ষয়ক্ষতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক ঘাঁটিই বর্তমানে অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি। ফলে মার্কিন বাহিনীকে যুদ্ধজাহাজের জ্বালানি এবং সেনাসদস্যদের প্রয়োজনীয় রসদ মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের অঞ্চল থেকে সরবরাহ করতে হচ্ছে।
ইরানের এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা কখনোই এই অঞ্চলে শত্রুপক্ষের সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণ করতে দেব না।’
এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে তেহরানের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং সেগুলোর বর্তমান সামরিক সক্ষমতা নিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য ও ইরানের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।
এর আগে ২০২৬ সালের মে মাসে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি সামরিক স্থাপনায় অন্তত ২২৮টি অবকাঠামো ও সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছিল। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা নিয়ে ওই বিশ্লেষণের ব্যাখ্যার সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছিল।