
যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর) ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া বিশাল র্যালির শেষ প্রান্তে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকেই একটি মহল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের ভোটের ও কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে সবসময় ষড়যন্ত্র চালিয়ে এসেছে। তবে দেশের সচেতন জনগণ অতীতেও তাদের প্রতিহত ও পরাজিত করেছে। বর্তমানেও সেই অপশক্তি নতুন করে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতদিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন এই বিপ্লবের র্যালি ও চেতনা অবিচলভাবে চলমান থাকবে।
এর আগে দুপুর তিনটার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিশাল শোভাযাত্রা শুরু হয়। লাখো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি প্রদক্ষিণ করে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এসে শেষ হয়। এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা পুরো পথ হেঁটে অংশ নেন।
| বিষয় / ক্ষেত্র | বিবরণ ও মূল তথ্য |
|---|---|
| দিবসের নাম ও তারিখ | জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস (৭ নভেম্বর ২০২৬) |
| শোভাযাত্রার রুট | নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ (প্রায় ৭ কিমি পথ হেঁটে অতিক্রম) |
| প্রধান বক্তা ও নেতৃত্ব | তারেক রহমান (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান) |
| উপস্থিত জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ | স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন |