
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ১লা জুলাই (আজ) মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২-এর নকআউট ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬ (রাউন্ড অব ১৬) নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো।
ম্যাচের বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
মেক্সিকো ২ - ০ ইকুয়েডর (ফুল-টাইম)
মেক্সিকোর পক্ষে গোল: জুলিয়ান কুইনোনস (২২ মিনিট), রাউল জিমেনেজ (৩১ মিনিট)।
লাল কার্ড (ইকুয়েডর): পিয়েরো হিনকাপি (৯৫ মিনিট)।
ঝড়ের কারণে বিলম্ব: স্টেডিয়াম এলাকায় তীব্র বজ্রঝড় ও বিদ্যুৎ চমকানোর কারণে ম্যাচটি শুরু হতে প্রায় এক ঘণ্টা দেরি হয়। তবে খেলা শুরু হতেই ঘরের মাঠে মেক্সিকো দুর্দান্ত আধিপত্য দেখায়।
২২তম মিনিট (প্রথম গোল): কাউন্টার অ্যাটাক (পাল্টা আক্রমণ) থেকে মেক্সিকোকে প্রথম লিড এনে দেন জুলিয়ান কুইনোনস। ডান পায়ে বল কেটে দুর্দান্ত এক শটে ইকুয়েডরের জালের উপড়ের কোণায় বল জড়ান তিনি।
৩১তম মিনিট (দ্বিতীয় গোল): কুইনোনসের চমৎকার পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে জোরালো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল জিমেনেজ।
৯৫তম মিনিট (নাটকীয় লাল কার্ড): একদম শেষ মুহূর্তে ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়নেরো হিনকাপি মেক্সিকোর সান্তিয়াগো জিমেনেজের সাথে এক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে লিপ্ত হন। ভিএআর (VAR) রিভিউয়ের পর রেফারি হিনকাপিকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
এই জয়ের মাধ্যমে মেক্সিকো ফুটবলে ৪০ বছরের দীর্ঘ খরা কাটালো। ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম মেক্সিকো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচ জিতলো। মজার ব্যাপার হলো, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপও মেক্সিকো নিজেদের মাটিতেই আয়োজন করেছিল এবং সেবার বুলগেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। এছাড়া হাভিয়ের আগিররের অধীনে মেক্সিকো দল এই বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত একটি গোলও হজম করেনি।
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে (রাউন্ড অব ১৬) আগামী ৫ই জুলাই (রবিবার) মেক্সিকো আবার এই এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামেই মাঠে নামবে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড বনাম গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (DR Congo) ম্যাচের জয়ী দল।