
লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর নকআউট ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। এই দাপুটে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জেতার পর এই প্রথম বিশ্বমঞ্চের কোনো নকআউট ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল স্প্যানিশরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নেয় স্পেন, যার ফলে পুরো ম্যাচেই অস্ট্রিয়া কোনো সুযোগ তৈরি করতে রীতিমতো সংগ্রাম করেছে। রিয়াল সোসিয়েদাদের ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারজাবাল (Mikel Oyarzabal) দলের হয়ে জোড়া গোল করেন এবং টটেনহ্যাম হটস্পারের ডিফেন্ডার পেড্রো পোরো (Pedro Porro) একটি দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন। রক্ষণভাগে স্প্যানিশরা ছিল এককথায় অনবদ্য; পুরো ম্যাচে তারা অস্ট্রিয়াকে কোনো শটই অন টার্গেটে নিতে দেয়নি। এটি ছিল চলতি টুর্নামেন্টে স্পেনের টানা চতুর্থ 'ক্লিন শিট' (গোল না খাওয়া)।
এই ম্যাচেই স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন (Unai Simón) এক অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়েন। বিশ্বকাপে টানা ৫১৯ মিনিট কোনো গোল না হজম করে তিনি ১৯৯০ সালে ইতালির কিংবদন্তি ভাল্টার জেঙ্গার (Walter Zenga) গড়া ৫১৭ মিনিটের রেকর্ডটি ভেঙে দেন। অন্যদিকে, ডান প্রান্তে গতি ও ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাচিয়ে ম্যাচসেরা (Player of the Match) নির্বাচিত হন বার্সেলোনার তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল।
২৯ মিনিট: স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া বল জালে জড়ালেও রেফারি ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করেন।
৩৬ মিনিট (গোল!): কুকুরেয়ার দারুণ এক নিচু ক্রস থেকে চমৎকার প্রথম ছোঁয়ায় বল জালে পাঠিয়ে ডেডলক ভাঙেন মিকেল ওয়ারজাবাল।
৬৬... মিনিট (গোল!): মিডফিল্ডার অ্যালেক্স বায়েনার নিখুঁত ক্রস থেকে জোরালো হেডে স্পেনের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেড্রো পোরো।
৮৯ মিনিট (গোল!): ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে কুকুরেয়ার আরেকটি অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে নিজের জোড়া পূরণ করার পাশাপাশি স্পেনের ৩-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন ওয়ারজাবাল।
| পরিসংখ্যান | স্পেন | অস্ট্রিয়া |
| চূড়ান্ত স্কোর | ৩ | ০ |
| বল দখল | ৬৫% | ৩৫% |
| মোট শট | ২২ | ৫ |
| টার্গেটে শট | ১০ | ০ |
| পাসের নির্ভুলতা | ৯১% | ৮৩% |
| কর্নার | ৯ | ০ |
| ফাউল | ৮ | ১৫ |