
নিউজ প্রোভাইডার
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে আকস্মিক আঘাত হেনেছে একটি শক্তিশালী টর্নেডো। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটে। মাত্র কয়েক মিনিটের এই ঝড়ে সৈকতে পর্যটকদের বসার জন্য রাখা অর্ধশতাধিক কিটকট (কাঠের চেয়ার) ও ছাতা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে.
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বিকেলে হঠাৎ করেই সমুদ্রের দিক থেকে ধেয়ে আসে এই টর্নেডো. ঝড়টি মাত্র তিন থেকে পাঁচ মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল. তবে এই অল্প সময়ের মধ্যেই সুগন্ধা পয়েন্টের উত্তর অংশে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা প্রাণভয়ে চারদিকে ছোটাছুটি শুরু করেন. অনেক পর্যটককে দূর থেকে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে এই বিরল ও ভীতিংকর টর্নেডোর ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়. তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি.
কক্সবাজার কিটকট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সাগর থেকে সৃষ্টি হয়ে ঘূর্ণিবাতাসটি ধীরে ধীরে বালুচরের দিকে এগোতে থাকে এবং বেলা পৌনে তিনটার দিকে সৈকতে মূল আঘাত হানে. টর্নেডোর প্রচণ্ড শক্তির আঘাতে সৈকতে ব্যবসায়ীদের পাতা ৫২টি কাঠের চেয়ার এবং ৬১টি ছাতা সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে, যার ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এমন আকস্মিক মিনি টর্নেডো বা জলস্তম্ভের (Waterspout) সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সৈকত এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ড কর্মীদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।