
ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই উত্তেজনার পর হল ছেড়ে সরে গেছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হলে গিয়ে অবস্থান নেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষ চলাকালে মাদ্রাসার আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল হকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে সহকর্মীরা তাঁকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। অভিযোগ উঠেছে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা হলে প্রবেশের সময় অপ্রীতিকর এই ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের বিষয়ে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পূর্বের প্রচার সম্পাদক দাউদ খান দাবি করেন, "যুবদল ও ছাত্রদলের অতর্কিত হামলায় আমাদের অন্তত ২৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ফুয়াদ নামের এক কর্মীর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।"
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে আলিয়া মাদ্রাসা শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী সাদ চৌধুরী বলেন, "শিবির ক্যাডাররা দফায় দফায় আমাদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় ছাত্রদলের ৩০ জনেরও বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।"
ঘটনাস্থলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।