
বর্তমান এল নিনোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি এল নিনো তৈরি হচ্ছে যা চলতি বছরের শেষ নাগাদ চরম রূপ নিতে পারে। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, এর প্রভাবে ২০২৭ সাল ইতিহাসের উষ্ণতম বছরে পরিণত হতে পারে, যা গত কয়েক দশক বা এমনকি শতকের মধ্যেও সবচেয়ে তীব্র এল নিনো হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
আবহাওয়াবিদদের তথ্যমতে, প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বছরের শেষে তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে সমুদ্রের গভীরের অতিরিক্ত উষ্ণ পানি এই এল নিনোকে আরও বেশি জ্বালানি বা শক্তি জোগাচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে দীর্ঘমেয়াদী শঙ্কা হিসেবে বলা হচ্ছে, আগামী বছর বিশ্বজুড়ে রেকর্ড ভাঙা গরম ও চরম আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে পারে মানবজাতি।
| সূচক/বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| সমুদ্রপৃষ্ঠের অবস্থা | স্বাভাবিকের চেয়ে অত্যধিক উষ্ণ ও শক্তি সঞ্চয়কারী |
| এল নিনোর তীব্রতা | গত কয়েক দশক বা শতকের মধ্যে সর্বোচ্চ হতে পারে |
| সম্ভাব্য উষ্ণতম বছর | ২০২৭ সাল |
| বাংলাদেশে প্রধান ঝুঁকি | দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, খরা ও কৃষি সংকট |
এই ভয়ংকর এল নিনোর প্রভাবে বাংলাদেশে দীর্ঘস্থায়ী তীব্র তাপপ্রবাহ, অতিরিক্ত গরম এবং তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির ধরনে অনিশ্চয়তা ও ব্যাপক তারতম্য দেখা দিতে পারে। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং চরম আবহাওয়ার কারণে দেশের কৃষি উৎপাদন, সুপেয় পানির প্রাপ্যতা এবং জনস্বাস্থ্য খাতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।