
B1/B2 ভিজিটর ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না—এ বিষয়ে ভিসাপ্রত্যাশীদের সতর্ক করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ভিজিটর ভিসায় অনুমোদিত নয়—এমন কয়েকটি কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেছে দূতাবাস।
ইউ এস এম্বাসি ঢাকার তথ্য অনুযায়ী, শিশুর জন্য মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া, অর্থাৎ ‘বার্থ ট্যুরিজম’, B1/B2 ভিজিটর ভিসার আওতায় অনুমোদিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যেও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি সন্তানের নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়াকে ভ্রমণের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন, তাহলে তার B ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে।
এ ছাড়া B1/B2 ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পারিশ্রমিক নিয়ে কাজ করা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ভিজিটর ভিসায় থাকা ব্যক্তিরা দেশটিতে চাকরি বা কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারেন না।
ভিজিটর ভিসায় গিয়ে ডিগ্রি বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেডিট অর্জনের উদ্দেশ্যে নিয়মিত পড়াশোনাও করা যাবে না। এ ধরনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ভিসা নিতে হয়।
দূতাবাস আরও জানিয়েছে, পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ করাও B1/B2 ভিসায় নিষিদ্ধ। অর্থাৎ ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক কাজে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সেখানে চাকরি, শ্রম বা আয়মূলক কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, B1 ভিসা মূলত অস্থায়ী ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহৃত হয়—যেমন ব্যবসায়িক বৈঠক, পরামর্শ, সম্মেলন বা চুক্তি নিয়ে আলোচনা। তবে এ ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের অনুমতি দেয় না।
তাই ভিসাপ্রত্যাশীদের ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভিসা নেওয়ার এবং ভিসার শর্ত মেনে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।