
মৌসুমি রোগ হিসেবে পরিচিত ডেঙ্গুর প্রকোপ এখন আর কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে সীমাবদ্ধ নেই; সারা বছরই এর সংক্রমণ নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চলতি ২০২৬ সালের বর্ষা মৌসুমের পর থেকে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায় এবং সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেই ২৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে পরিস্থিতি তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মে-জুন মাস থেকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে বাড়তে থাকে। সেপ্টেম্বরের প্রথম চার দিনেই প্রতিদিন এক হাজারের বেশি নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সারাদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় এক হাজার ৩১৪ জন রোগী, যার মধ্যে অধিকাংশ ঢাকায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় ওয়ার্ডগুলোতে বাধ্যতামূলক মশারি টানানোর পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষায় ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ হাসনাত সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার এবং লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
| বিষয়/সূচক | তথ্য ও বর্তমান অবস্থা |
|---|---|
| সময়কাল | ১ জানুয়ারি - ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
| মোট আক্রান্ত ও সুস্থতা | আক্রান্ত: ৪৩,০০০+ জন | সুস্থ: ৪১,০০০ জন | বর্তমান চিকিৎসাধীন: ১,৩১৪ জন |
| মোট মৃত্যু সংখ্যা | ১২১ জন (জুন: ১৩, জুলাই: ৩৬, আগস্ট: ৪৩, সেপ্টেম্বর ১ম সপ্তাহ: ২৪) |
| হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা | ১০% বেড সংরক্ষণ, মশারির ব্যবহার জোরদার ও পরীক্ষার খরচে ছাড় দেওয়ার আহ্বান |