
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষা পেতে নতুন বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মাটির নিচে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুবাই। তবে যুদ্ধের কারণে বহু বিলিয়ন ডলারের এই মেগা বিমানবন্দর সম্প্রসারণ পরিকল্পনার পরিসর বা বাজেট কোনোভাবেই কমানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দুবাই এয়ারপোর্টস কর্তৃপক্ষ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুবাই এয়ারপোর্টসের প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস জানান, চলতি বছরের সংঘাতের তীব্রতার সময় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (DXB) ওপরের জ্বালানি ট্যাংকে আঘাত হানা হয়। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে কার্যক্রম পুনরায় সচল করা গেলেও এই শিক্ষা থেকেই নতুন বিমানবন্দরের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপ্রতিরোধী অবকাঠামো নকশা করা হচ্ছে। শেখ আহমেদ বিন সাইদ আল মাকতুমের সঙ্গে আলোচনার পর এভিয়েশন খাতের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন না আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
যুদ্ধের শুরুতে আমিরাতের সামরিক মনিটরিংয়ের আওতায় সংকুচিত আকাশপথ দিয়ে এমিরেটস তাদের ফ্লাইট পরিচালনা করে। ১১১টি সতর্কতা বার্তার মধ্যে ১৭টি ক্ষুদ্রাকারের হামলা হলেও যাত্রীদের দ্রুত ভূগর্ভস্থ নিরাপদ স্থানে নেওয়া সম্ভব হয়। বর্তমানে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটছে এবং আগামী বছরের শুরুতেই দুবাই বিশ্বজুড়ে তার আগের শীর্ষ ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবস্থান ফেরত পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন গ্রিফিথস।
| মাস / সূচক | যাত্রী সংখ্যা ও পরিস্থিতির স্থিতি |
|---|---|
| ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৭৪ লাখ যাত্রী (সংঘাত শুরুর পূর্ববর্তী স্বাভাবিক অবস্থা) |
| মার্চ ২০২৬ | ২৫ লাখ যাত্রী (সংঘাতের কারণে সবচেয়ে বড় দরপতন) |
| জুলাই ২০২৬ | ৬৩ লাখ যাত্রী (দ্রুত পুনরুদ্ধারের স্পষ্ট ইঙ্গিত) |
| বর্তমান প্রত্যাবর্তন হার | ৭৮% যাত্রী ফিরে এসেছেন; বাকি ২২% শীঘ্র ফেরার প্রত্যাশা |
| নতুন বিমানবন্দরের ধারণক্ষমতা | বছরে ২৫ কোটি যাত্রী (সম্পূর্ণ ভূগর্ভস্থ প্রতিরক্ষামূলক জ্বালানি ব্যবস্থাসহ) |