
রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া এবং ছাত্রদলের নেত্রী প্রীতি চৌধুরীর মধ্যে ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি গুরুতর অভিযোগ ও ইনবক্সের গোপন স্ক্রিনশট প্রকাশের হুমকিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। দুই নেত্রীর এই কাদা ছুড়োছুড়ি ও ব্যক্তিগত চ্যাট ফাঁসের তোড়জোড়কে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও রাজনীতি সচেতন মহলে চরম কৌতূহল ও নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পৃথক পোস্ট দিয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন দুই নেত্রী। ছাত্রলীগ নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়ার অভিযোগ, প্রীতি তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। এর জবাবে প্রীতি চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ছাত্রলীগে যোগ দেওয়ার জন্য তাকে নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করা হলেও তিনি কখনো তা মেনে নেননি এবং ছাত্রলীগের কোনো মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেননি। তিনি পিয়ার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত হয়রানির পাল্টা অভিযোগ এনে বেশ কিছু স্ক্রিনশট ফাঁসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।
বিবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রকাশ্যে প্রীতি চৌধুরীর সমর্থনে পোস্ট দিয়েছেন। কলেজের সিনিয়র আহ্বায়ক জুবায়ের রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক রাশিকুজ্জামান প্রীতম আলাদা পোস্টে উল্লেখ করেন, প্রীতি ছিলেন রাজশাহী কলেজে জুলাইয়ের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সাহসী নারী মুখ। ভয় দেখিয়ে বা অপপ্রচার চালিয়ে তার রাজনৈতিক অবস্থানকে কলঙ্কিত করা যাবে না বলে ছাত্রদল নেতারা হুঁশিয়ারি দেন।
| বিষয় / ক্ষেত্র | বিবরণ |
|---|---|
| বিতর্কের দুই মুখ | জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া (ছাত্রলীগ) ও প্রীতি চৌধুরী (ছাত্রদল) |
| মূল ইস্যু | দলবদলের চেষ্টা, সভাপতি রসিক দত্তের সাথে সম্পর্ক ও মেসেঞ্জার স্ক্রিনশট ফাঁসের হুমকি |
| ছাত্রদলের প্রতিক্রিয়া | প্রীতিকে জুলাই আন্দোলনের বীর সেনানী হিসেবে আখ্যা দিয়ে সমর্থন জ্ঞাপন |
| ক্যাম্পাসের অবস্থা | শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা, রসাত্মক মন্তব্য ও ট্রোলিং |