
ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও প্রয়োজনীয় খনিজে ভরপুর চিয়া সিড অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় দারুণ কার্যকর। তবে এটি কীভাবে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের ভিন্ন মত রয়েছে। ভারতের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে চিয়া সিড খাওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি ও সেগুলোর কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে রেটিং প্রদান করেছেন।
গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠির পরামর্শ অনুযায়ী চিয়া সিড খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও রেটিং নিচে তুলে ধরা হলো:
| খাওয়ার পদ্ধতি | পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা | বিশেষজ্ঞ রেটিং |
| দই ও চিয়া সিড | দইয়ের প্রোটিন ও ভালো ব্যাকটেরিয়া (মাইক্রোবস)-র সাথে চিয়া সিডের ফাইবারের সংমিশ্রণ অন্ত্রের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী। | ১০ / ১০ |
| গ্রিক ইয়োগার্ট ও গুঁড়ো চিয়া সিড | চিয়া সিড গুঁড়ো করে খেলে এর ভেতরে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাট শরীর সহজে শোষণ করতে পারে। | ১০ / ১০ |
| ওটমিল ও চিয়া সিড | এটি খাবারে ফাইবারের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, যা হৃদযন্ত্র ও হজমপ্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত ভালো। | ৯ / ১০ |
| চিয়া পুডিং ও স্মুদি | দুধ বা উদ্ভিজ্জ দুধে ভিজিয়ে রাখা পুডিং কিংবা ফল-দুধের স্মুদি ফাইবার ও প্রোটিনের চমৎকার উৎস। | ৮ / ১০ |
| সারারাত ভিজিয়ে রাখা চিয়া ওয়াটার | এক গ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে পান করা সহজ ও সুবিধাজনক একটি পদ্ধতি। | ৭ / ১০ |
শুকনো চিয়া সিড খাওয়ার ঝুঁকি
ডা. সৌরভ শেঠি সরাসরি চামচ দিয়ে শুকনো চিয়া সিড খাওয়ার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন এবং এই পদ্ধতিকে ১০ এর মধ্যে মাত্র ২ রেটিং দিয়েছেন।
তিনি জানান, চিয়া সিড অত্যন্ত দ্রুত তরল শোষণ করে ফুলে ওঠে। ফলে শুকনো অবস্থায় খেলে এটি খাদ্যনালীতে আটকে গিয়ে বিপত্তির সৃষ্টি করতে পারে। তাই চিয়া সিডের সর্বোচ্চ পুষ্টি পেতে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এটি সবসময় পানিতে ভিজিয়ে কিংবা গুঁড়ো করে অন্য খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি লাইফলাইন