সরকারি চাকরি পাওয়ার পর স্ত্রী তালাক দিয়েছেন, প্রবাসী স্বামীর অভিযোগ
প্রবাসী স্বামীর আর্থিক সহায়তায় পড়াশোনা শেষ করে সরকারি চাকরি পাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই স্ত্রী তাকে তালাক দিয়েছেন—এমন অভিযোগ করেছেন সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনাটি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের বলে জানা গেছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে পারিবারিকভাবে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় চার মাস পর জীবিকার প্রয়োজনে সাইফুল মালয়েশিয়ায় চলে যান।
স্ত্রীর পড়াশোনার খরচ বহনের দাবি
সাইফুল ইসলামের দাবি, স্ত্রী উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি তার পড়াশোনার খরচ বহন শুরু করেন। প্রথমে কুমিল্লা শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে জান্নাতুলের এইচএসসি পড়ার ব্যবস্থা করেন।
পরবর্তী সময়ে সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য ঢাকার একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে তাতেও সম্মতি দেন বলে জানান সাইফুল।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় চার বছর ধরে স্ত্রীর পড়াশোনা, কোচিং এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যয় তিনি বিদেশে থেকে বহন করেছেন।
চাকরি পাওয়ার পর আচরণ পরিবর্তনের অভিযোগ
সাইফুলের অভিযোগ, একপর্যায়ে জান্নাতুল ফেরদৌস দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সরকারি চাকরি পাওয়ার কথা তাকে জানান। তবে চাকরি পাওয়ার পর স্ত্রীর আচরণে পরিবর্তন আসে বলে দাবি করেন তিনি।
সাইফুল জানান, দেশে ফিরে আসার প্রস্তুতির কথা স্ত্রীকে জানালে তাকে আরও কয়েক বছর বিদেশে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
দেশে ফেরার পর দাম্পত্য সম্পর্কে অবনতি
সাইফুলের আরও অভিযোগ, দেশে ফিরলে তাকে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দেওয়ার দাবি করা হয়। পরে তিনি দেশে ফিরে এলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের অবনতি ঘটে বলে দাবি করেন।
একপর্যায়ে জান্নাতুল ফেরদৌস তাকে তালাক দেন বলে অভিযোগ করেছেন সাইফুল ইসলাম।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের বক্তব্য বা সংশ্লিষ্ট নথি এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
N.B. (নোটিশ):
এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে নিজস্ব ভাষায় সংকলন ও উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি কোনো সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত লেখা হুবহু অনুলিপি নয়। সংশ্লিষ্ট অভিযোগ ও বক্তব্যগুলো প্রতিবেদনে প্রাপ্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবির ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে; এগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংবাদমাধ্যমের স্বত্বাধিকারভুক্ত ছবি, ভিডিও বা কনটেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়নি। কোনো তথ্য, ছবি বা উপাদান নিয়ে স্বত্বাধিকার সংক্রান্ত আপত্তি থাকলে যথাযথ প্রমাণসহ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: Rangpur Vibes