
বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় জাতিসংঘ আরও কার্যকর ও নিবিড়ভাবে ভূমিকা রাখার সুদৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান রডরিক।
অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার কীভাবে বৃহৎ পরিসরে দেশের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করতে পারে, তা বাস্তবায়নে সব অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) সম্পৃক্ততা ও মতবিনিময়ের ওপর জোড় দেওয়া হয়।
ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কার (ইনস্টিটিউশনাল রিফর্ম) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৈঠকে গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় কারিগরি ও নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ আরও জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে ইঙ্গিত দেন ইউএনডিপি প্রতিনিধি।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিগত দিনের ভূমিকা ও সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের পরিচালিত সংস্কার কর্মসূচি ও জনকল্যাণমুখী কাজের মধ্য দিয়ে বিশ্বসংস্থাটিকে আরও নিবিড় এবং ফলপ্রসূভাবে পাশে পাবে বাংলাদেশ।
| বিষয় | আলোচনার প্রধান দিক | ভবিষ্যৎ রূপরেখা |
|---|---|---|
| নেতৃত্ব ও ভিশন | প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ। | অংশগ্রহণমূলক সামাজিক উন্নয়ন। |
| প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার | জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিভিন্ন সরকারি সংস্থার রিফর্ম। | সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধি। |
| জাতিসংঘের ভূমিকা | উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় ইউএনডিপির নিবিড় অংশগ্রহণ। | নতুন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সহায়তা। |