
ব্যবসা-বাণিজ্য
আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি অ্যালিকো ড্যাঙ্গোটে এ মাসে তার তেল শোধনাগার কোম্পানিকে নাইজেরিয়ার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করে মহাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শেয়ার বিক্রি কার্যক্রম শুরু করেছেন।
নাইজেরীয় এই বিলিয়নিয়ার তালিকাভুক্তিটিকে 'পিপলস আইপিও' বা 'জনগণের প্রাথমিক শেয়ার ইস্যু' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এই শব্দগুলোর মাধ্যমে বিক্রয়টিকে এমন একটি সুযোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকরা এমন একটি ব্যবসার অংশীদার হতে পারবেন, যেটিকে অনেক নাইজেরীয় ইতোমধ্যেই জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখেন।
"প্রতিদিন নাইজেরীয়রা এমন পণ্য ব্যবহার করে, যা পরিশোধিত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। এই আইপিওকে বিশেষ করে তুলেছে যে এটি মানুষকে শুধু ভোক্তা নয়, বরং অর্থনৈতিক জীবনকে সচল রাখে এমন শিল্পব্যবস্থার মালিক হিসেবেও অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।" — অ্যালিকো ড্যাঙ্গোটে
রয়টার্স জানিয়েছে, বিক্রির জন্য রাখা ৪.১ বিলিয়ন (৪১০ কোটি) শেয়ারের সবগুলো বিক্রি হলে কোম্পানিটি ২.১৫ ট্রিলিয়ন নাইজেরিয়ান নাইরা (১.৬ বিলিয়ন ডলার) সংগ্রহ করবে। এই অর্থ তাদের শোধনাগার সম্প্রসারণে ব্যবহার করা হবে, যা ইতোমধ্যেই প্রতিদিন প্রায় সাত লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করতে পারে।
শেয়ার বিক্রির প্রথম দিনেই ব্যাপক চাহিদার কারণে বিনিয়োগ অ্যাপগুলো অচল হয়ে পড়ে। জননীতি বিশ্লেষক জামিল উবাহ বলেন, কোনো ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নিয়ে নাইজেরীয়দের এতটা উচ্ছ্বাস তিনি খুব কমই দেখেছেন। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, শেয়ারের দাম কমতেও পারে, বাড়তেও পারে।
"তাদের এমন পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত, যেটা ছাড়া আগামী তিন, চার বা পাঁচ বছর তাদের চলতে অসুবিধা হবে না।" — ড. আবদুলরাজাক ইব্রাহিম ফাগে, অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ
অ্যালিকো ড্যাঙ্গোটে কে?
ফোর্বস সাময়িকীর তথ্য অনুযায়ী, ৬৯ বছর বয়সী অ্যালিকো ড্যাঙ্গোটে আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। ২০ সেপ্টেম্বর তার সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫১.৫ বিলিয়ন (৫১৫০ কোটি) ডলার।
দশকের পর দশক ধরে তিনি নাইজেরিয়ার সিমেন্ট, চিনি, লবণ ও সার বাজারে আধিপত্য বজায় রেখেছেন। ২০২৪ সালে তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মূল্য নাইজেরিয়ার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির মোট মূল্যের এক-তৃতীয়াংশের সমান ছিল।
এত সাফল্য সত্ত্বেও সাক্ষাৎকারে তাকে বিনয়ী স্বভাবের মানুষ হিসেবে দেখা যায় এবং তিনি প্রায়ই বলেন যে বৈঠকগুলোর মধ্যে যাতায়াতের সময় তিনি নিজেই গাড়ি চালান। স্কুলজীবনে তিনি প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি কিনে অন্য শিশুদের দিয়ে বিক্রি করাতেন এবং লাভের একটি অংশ নিজের কাছে রাখতেন।
তার মায়ের দিকের পরিবার ছিল ধনী, আর তার প্রপিতামহ মৃত্যুর সময় পশ্চিম আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন। নাইজেরিয়ার পত্রিকা দ্য পাঞ্চ-এর কলাম লেখক লেকান সোতে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসকে বলেন, "তিনি ব্যবসায়িক ঐতিহ্যবাহী একটি পরিবার থেকে এসেছেন।"
ব্যবসা বিষয়ে ডিগ্রি অর্জনের পর ড্যাঙ্গোটে পাঁচ লাখ নাইরা (৩৭৫ ডলার) ঋণ নিয়ে নিজস্ব পণ্য বাণিজ্য ব্যবসা শুরু করেন। এটি খুব সফল হয় এবং ছয় মাসেরও কম সময়ে তিনি ঋণ পরিশোধ করেন।
বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ড্যাঙ্গোটে সিমেন্ট, যা আফ্রিকার বৃহত্তম সিমেন্ট উৎপাদক এবং ড্যাঙ্গোটে তেল শোধনাগার, যা ২০২৪ সালে উৎপাদন শুরু করে এবং বিশ্বের বৃহত্তম শোধনাগারগুলোর একটি।
তিনি কী করতে চাইছেন?
অ্যালিকো ড্যাঙ্গোটের কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তথাকথিত 'আমদানি প্রতিস্থাপন'। অর্থাৎ, তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমন পণ্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করে, যা নাইজেরিয়া ঐতিহ্যগতভাবে বিদেশ থেকে কিনে আসত।
আফ্রিকার অনেক দেশ নিজেদের কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করতে পারে না। পরে সেসব কাঁচামাল দিয়ে তৈরি প্রক্রিয়াজাত পণ্য আবার কিনে আনতে হয়, যার ফলে খরচ বেড়ে যায়। এরপর সরকারগুলো প্রায়ই দাম ভর্তুকি দেয়। স্থানীয়ভাবে চূড়ান্ত পণ্য উৎপাদন করা গেলে এমন সহায়তার প্রয়োজন কমে যাবে।
তবে সমালোচকদের মতে, আমদানি প্রতিস্থাপন নীতিতে প্রতিযোগিতার ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়লে মূল্য বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে।
নাইজেরিয়া আফ্রিকার সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ। কিন্তু ড্যাঙ্গোটের শোধনাগার চালু হওয়ার আগে পরিশোধন সক্ষমতার অভাবে দেশের বেশিরভাগ জ্বালানি আমদানি করতে হতো। ফলে নাইজেরিয়াকে বড় ব্যয়ে পরিশোধিত তেল কিনে আনতে হতো। এখন শোধনাগারটি নাইজেরিয়ার জ্বালানি ব্যবহারের ৭০ শতাংশের বেশি সরবরাহ করে।
শেয়ার বিক্রি সংক্রান্ত প্রসপেক্টাসে বলা হয়েছে, ড্যাঙ্গোটে শোধনাগারের সক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করছেন।
একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
দাতব্য সংস্থা অক্সফাম ২০২৪ সালে জানায়, ড্যাঙ্গোটে "নাইজেরিয়ার সিমেন্ট খাতে প্রায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ" ধরে রেখেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, তেল খাতে তার সম্প্রসারণ নতুন একটি বেসরকারি একচেটিয়া অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
"তিনি জানেন সরকার ধীরগতির। যে কেউ যথেষ্ট সাহসী হবে, শক্তভাবে খেলবে এবং সেই বাজারে উপস্থিত থাকবে, সে চলমান পরিস্থিতির সুবিধা নেবে।" — লেকান সোতে, দ্য পাঞ্চ কলাম লেখক
তবে সোতে বলেন, কিছু বিশ্লেষকের মতে এই বিলিয়নিয়ার কেবল সেই শূন্যস্থানগুলো পূরণ করছেন, যেগুলো সরকার পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
২০২৪ সালের বিবিসি পডকাস্ট 'গুড ব্যাড বিলিয়নেয়ার'-এ বিবিসির ব্যবসা সম্পাদক সাইমন জ্যাক বিভিন্ন সমালোচনার সারসংক্ষেপ করতে গিয়ে বলেন, "একচেটিয়া আধিপত্য এমন একটি শব্দ যা বারবার উঠেছে। তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত একচেটিয়া প্রতিষ্ঠানগুলো কিনেছিলেন এবং বলেছিলেন... 'আমরা আফ্রিকায়, নাইজেরিয়ায় সিমেন্ট উৎপাদন করতে পারি, যদি আমদানি সীমিত করা হয়'। এটি অবশ্যই তার বিরুদ্ধে তোলা একটি সমালোচনা।"
ড্যাঙ্গোটে একচেটিয়া ব্যবসায়ী হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "আমরা বড় পরিসরে নিজেদের অর্থ বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত ছিলাম। নাইজেরিয়া ও আফ্রিকার বাকি অংশের উৎপাদন খাতের সম্ভাবনা আমরা দেখেছি এবং অন্যরা যখন পারেনি, তখন আমরা সেই সুযোগ গ্রহণ করেছি।"
তিনি বলেন, শোধনাগারের সম্প্রসারণ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বাড়াবে। আগস্টে বিবিসির 'ফোকাস অন আফ্রিকা' অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই পরিকল্পনা "বিরাট প্রভাব" ফেলবে এবং মহাদেশের কিছু দেশকে জ্বালানি ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে সাহায্য করবে।
তিনি বলেন, "এটি দেশগুলোর নিজেদের পণ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয়। তাদের আর দিন আনা দিন খাওয়ার মতো অবস্থায় থাকতে হবে না। শোধনাগারটি আছে, এটি তাদের জন্য।"
তবে আফ্রিকার কিছু অংশে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বয়ে আনবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা "সম্ভবত অতিরঞ্জিত" বলেন সোতে। তবে তার মতে, "উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে পরিসরের অর্থনীতি কাজ করবে এবং এর ফলে দাম কমতে পারে।"
সমালোচনার পাশাপাশি উচ্ছ্বাস
নাইজেরীয়রা জ্বালানির কম দামে কিছু অর্থ সাশ্রয় করে থাকতে পারেন, তবে কেউ কেউ বলছেন যে সৃষ্ট সম্পদের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে খুব কমই পৌঁছেছে। নাইজেরিয়ার সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কিংসলে মোঘালু ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রিমিয়াম টাইমস-এ লিখেছিলেন, "ড্যাঙ্গোটের সম্পদ তার ব্যক্তিগত। এটি উল্লেখযোগ্য কোনো পরিসরে নাইজেরীয়দের সমৃদ্ধ করেনি।" তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে "এটা কি তার দায়িত্ব?"
মোঘালু লিখেছেন, মাইক্রোসফট ও গুগলকে প্রতিযোগিতা-বিরোধী মামলার কারণে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাজার থেকে সরিয়ে দিতে দেওয়া হয় না। তিনি লেখেন, "নাইজেরিয়া ও অধিকাংশ আফ্রিকান দেশের মতো ক্ষেত্রে যা ঘটে, তা হলো অল্প কয়েকজনের সম্পদ বৃদ্ধি, কিন্তু বহু মানুষের দারিদ্র্য।"
আফ্রিকার আত্মনির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষিত প্রচেষ্টা শেয়ার বিক্রিকে ঘিরে উৎসাহ তৈরি করতে সাহায্য করেছে বলে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসকে জানান হিসাবরক্ষক ও বিনিয়োগ বিশ্লেষক ওলুওয়াসিনা ওলুওয়ালেকে। তিনি বলেন, "দেশ দৃঢ়ভাবে এর পক্ষে আছে, কারণ তারা স্বাধীনতার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি দেখছে, শুধু নাইজেরিয়ার জন্য নয়, পশ্চিম আফ্রিকা এবং সমগ্র আফ্রিকার জন্যও।"
তবে বিবিসির সাইমন জ্যাক বলেন, "এমন অভিযোগ রয়েছে যে ড্যাঙ্গোটে উত্তর নাইজেরিয়ার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য যথেষ্ট করেন না এবং তিনি তার সম্পদ দক্ষিণাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত করেন।"
ড্যাঙ্গোটের ব্যবসাগুলো পরিবেশগত প্রভাব নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েছে। ২০২০ সালে তার সিমেন্ট শিল্পের কারণে স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করা মানুষের পক্ষে ড্যাঙ্গোটে গ্রুপের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ড্যাঙ্গোটে সিমেন্ট একটি কারখানার আশেপাশে বসবাসকারী মানুষের জন্য দুই লাখ ৭০ হাজার ডলারের ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ দেয়।
সাধারণ মানুষের জন্য একটি 'সুযোগ'
ড্যাঙ্গোটে বলেছেন, তিনি সাধারণ নাইজেরীয়দের শোধনাগারের সাফল্যের অংশীদার হওয়ার সুযোগ দিতে এবং "সম্পদ সৃষ্টিকে গণতান্ত্রিক" করতে চান। সর্বনিম্ন বিনিয়োগের পরিমাণ পাঁচ হাজার ৫২৫ নাইরা (৪ ডলার), যা অন্যান্য অনেক শেয়ারের তুলনায় দামে কম।
বিক্রির আগে নাইজেরীয় গণমাধ্যমে উদ্ধৃত এক বক্তব্যে ড্যাঙ্গোটে বলেন, "প্রতিদিন নাইজেরীয়রা এমন পণ্য ব্যবহার করে, যা পরিশোধিত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। এই আইপিওকে বিশেষ করে তুলেছে যে এটি মানুষকে শুধু ভোক্তা নয়, বরং অর্থনৈতিক জীবনকে সচল রাখে এমন শিল্পব্যবস্থার মালিক হিসেবেও অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।"
ওলুওয়ালেকে বলেন, ইরান যুদ্ধসংক্রান্ত সরবরাহ বিঘ্নের কারণে শোধনাগারের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, যা বিক্রয়কে ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, "সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমগুলো এ খবরেই সয়লাব।"
তবে তার মতে, কিছু বিশ্লেষক আরও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তারা মনে করেন বর্তমানের উচ্চ মুনাফা কমে গেলে শেয়ারগুলোর মূল্য অতিরিক্ত বলে প্রমাণিত হতে পারে।
সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ভয়
বিনিয়োগকারীদের একজন ইসাহ সালিসু বিবিসি নিউজ আফ্রিকাকে বলেন, তিনি বিনিয়োগের জন্য নিজের সঞ্চয় থেকে ৫০ হাজার নাইরা (৩৭ ডলার) তুলে নিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমার আশা, আমার এই অল্প টাকা একদিন বড় হবে। আমি সুযোগ হারাতে চাই না, কারণ আমার পরিচিত অনেকেই বিনিয়োগ করছেন।"
অন্যদিকে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ ড. আবদুলরাজাক ইব্রাহিম ফাগে বিবিসিকে বলেন, শেয়ারের দাম কমে যেতে পারে, ফলে মানুষ তাদের কিছু অর্থ হারাতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, "সম্ভাব্য ক্রেতাদের, বিশেষ করে প্রথমবারের ক্রেতাদের জানা উচিত যে তাদের সব অর্থ, বা কয়েক মাসের মধ্যে প্রয়োজন হবে এমন অর্থ, বিনিয়োগ করা উচিত নয়।"
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি-তে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জনস্বার্থে ও অর্থনৈতিক তথ্যসেবার উদ্দেশ্যে পুনঃপ্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদের মূল সূত্র বিবিসি (BBC), লেখক কেইট বোয়ি ও অ্যান্ড্রু ওয়েব। এখানে উল্লেখিত অভিযোগ, সমালোচনা, পরিসংখ্যান ও বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব — যা ভিন্ন পক্ষ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে এবং নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এখানে উপস্থাপিত তথ্য, মন্তব্য বা দাবির জন্য TouchBangladesh কোনোভাবেই দায়ী নয়। পাঠকদের অনুরোধ — বিনিয়োগ-সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে যোগ্য আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন এবং পূর্ণাঙ্গ ও যাচাইকৃত তথ্যের জন্য মূল সূত্র অনুসরণ করুন। কোনো আইনি অভিযোগ বা আপত্তি থাকলে তা সরাসরি মূল প্রকাশকের কাছে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।