
প্রবীণ নাগরিকদের যত্ন, সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় সরকার সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেবে। তবে রাষ্ট্র ও সমাজে আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ যত বেশি বজায় থাকবে, প্রবীণদের যত্ন, সম্মান ও মর্যাদাও তত বেশি সুরক্ষিত থাকবে।
৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যেখানে তরুণ কিংবা প্রবীণ—প্রতিটি মানুষ নিজের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারবে।
তিনি বলেন, প্রবীণদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের সামাজিক মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখাও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও সমন্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬-এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।