
রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে যেন লাগাম নেই। কাঁচাবাজারে শিম বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২০০ টাকা দরে। বেশিরভাগ সবজি কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৭০ টাকার বেশি। সবজির পাশাপাশি বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে গরু ও মুরগির মাংস, ডিম এবং বিভিন্ন ধরনের মাছ। মুদি দোকানেও স্বস্তি নেই; বিশেষ করে ভোজ্যতেলের দামে দেখা দিয়েছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।
ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এর সঙ্গে উৎপাদন ও সরবরাহ খরচ বাড়ায় প্রায় সব নিত্যপণ্যের দামেই এর প্রভাব পড়ছে। তবে বাড়তি দামের চাপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির বাজারে প্রায় সব পণ্যের দামই চড়া। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শিম—কেজি ২০০ টাকা। অন্যান্য বেশিরভাগ সবজির দামও ৭০ টাকা ছাড়িয়েছে। ফলে সীমিত আয়ের ক্রেতাদের বাজারের তালিকা ছোট করতে হচ্ছে।
সবজির পর মাংসের বাজারেও বাড়তি দামের চাপ দেখা যাচ্ছে। বাজারভেদে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের তুলনায় বেশি দামে। মুরগির দামও ক্রেতাদের স্বস্তি দিচ্ছে না।
ডিমের বাজারেও রয়েছে বাড়তি দামের চাপ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, উৎপাদন খরচের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ডিমের দামেও তার প্রভাব পড়ছে।
মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। বিভিন্ন বাজারে মাছের দামে রয়েছে ওঠানামা। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ইলিশ। এর দাম কেজিপ্রতি দুই হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। ফলে অনেক ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে জনপ্রিয় এই মাছ।
সপ্তাহান্তে মুদি বাজারেও দেখা দিয়েছে অস্বস্তি। বিশেষ করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ব্যবসায়ীরা। হঠাৎ দাম বৃদ্ধিতে খুচরা বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।
সবজি, মাছ-মাংস, ডিম থেকে শুরু করে মুদি পণ্য—প্রায় প্রতিটি বাজারেই এখন বাড়তি দামের চাপ। ব্যবসায়ীরা জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও, একের পর এক পণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। সংসারের ব্যয় সামলাতে বাজারের তালিকায় কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই।