
ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন ও লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।
এর আগে এক দিনের রিমান্ড শেষে দুপুর আড়াইটায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি চলাকালে আদালতকক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর চূড়ান্ত নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর মদিনা থেকে পরিবারের সদস্যসহ জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় লাগেজ ও জমজমের পানি সংগ্রহের সময় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে ট্রলি সংকট দেখা দেয়।
ট্রলি সংগ্রহ এবং পানি পাওয়া নিয়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন প্রটোকল সহকারী নিয়ম ভেঙে ট্রলি সংগ্রহের চেষ্টা করলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি বিশৃঙ্খল রূপ নেয় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিবকে লাঞ্ছিত করা হয় বলে পুলিশের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শুক্রবার ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসস্থান থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরদিন শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হলে বিচারক এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রোববার রিমান্ড শেষ হওয়ায় তাকে পুনরায় আদালতে তোলা হয়।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদনটি দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে সামাজিক সচেতনতার উদ্দেশ্যে পুনঃপ্রকাশিত। সংবাদের প্রাথমিক সত্যতা ও তথ্যের সম্পূর্ণ দায়ভার মূল সংবাদসূত্রের (দৈনিক যুগান্তর)। এই তথ্যের ভিত্তিতে (Touch Bangladesh) কোনো প্রকার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আইনি দায়ভার গ্রহণ করবে না।