
নিজেদের মধ্যকার সব ধরনের ভেদাভেদ ভুলে দেশের সার্বিক কল্যাণ ও অগ্রগতির স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ আন্তর্জাতিক। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভাজন নয়—ঐক্যই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান শক্তি।
রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা ও সংগঠক এম এ রউফ এবং প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এক বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের সব নাগরিক একই দেশের সন্তান। দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে দেশের স্বার্থে সবাইকে পারস্পরিক মতপার্থক্য দূরে রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
তারা বলেন, “একতাই বল, বিভাজনে পতন।” তাই দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তাদের মতে, মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করাই হওয়া উচিত সবার মূল লক্ষ্য।
বার্তায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা তুলে ধরে বলা হয়, রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। পরিবার-পরিজন ও প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে তারা যে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান, তা দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ছেলে হোক কিংবা মেয়ে—প্রবাসে থাকা প্রতিটি রেমিট্যান্স যোদ্ধাই বাংলাদেশের “সূর্যসন্তান”। তাদের ত্যাগ, শ্রম ও কষ্ট কোনোভাবেই ভোলার নয়। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে তাদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মও স্মরণ করবে।
রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিশ্বের সাত মহাদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে একটি বৃহৎ পরিবার গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনটির মূল বার্তা—“বিভাজন নয়, ঐক্য চাই।” দেশের স্বার্থে সব মত ও পথের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ঐক্যবদ্ধ শক্তিই পারে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিতে।