
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে না পারলেও ম্যাচে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক দেখছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। বিশেষ করে ওয়ানডে অভিষেকে পেসার হাবিবা ইসলাম পিংকির পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট তিনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.২ ওভারে ১৬৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ২৫.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান তুলে সহজ জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে অভিষেকেই বল হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন ডানহাতি পেসার হাবিবা ইসলাম পিংকি। ৬ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার জর্জিয়া ভল ও বেথ মুনিকে আউট করেন এই পেসার।
ম্যাচ শেষে হাবিবার পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তিনি বলেন, ‘হাবিবার আক্রমণাত্মক মনোভাব দারুণ লাগছিল।’
হাবিবার বোলিংয়ের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে জ্যোতি আরও বলেন, ‘যখনই বল হাতে নিয়েছেন, সঠিক জায়গায় বল করেছেন হাবিবা। এই ইতিবাচক দিকগুলো পরবর্তী ম্যাচে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।’
ম্যাচে হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক জানান, ব্যাটাররা বড় জুটি গড়তে পারেননি। মাঝপথে দলের ব্যাটিং ছন্দও নষ্ট হয়ে যায়।
জ্যোতি বলেন, ‘আমরা বড় জুটি গড়তে পারিনি। খেই হারিয়ে ফেলেছিলাম। তবে অনেক ইতিবাচক দিকও ছিল।’
পরবর্তী ম্যাচে ব্যাটারদের আরও সতর্ক ও ধৈর্যশীল হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে নতুন বলে ব্যাটিং এবং পাওয়ারপ্লেতে উইকেট ধরে রাখার বিষয়ে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অধিনায়ক।
জ্যোতির ভাষায়, ‘নতুন বলে খেলার সময় ব্যাটারদের সতর্ক হতে হবে। পাওয়ারপ্লেতে বেশি উইকেট হারানো যাবে না। ব্যাটারদের আরও বেশি ধৈর্যশীল ও শান্ত হতে হবে। পরবর্তী ম্যাচে আমরা তেমনটাই প্রত্যাশা করছি।’
প্রথম ম্যাচে হার দিয়ে সিরিজ শুরু করলেও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। আগামীকাল একই ভেন্যুতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল।
ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে হাবিবার বোলিংয়ের ইতিবাচক দিকগুলো কাজে লাগাতে পারলে পরের ম্যাচে ভালো করার প্রত্যাশা করবে বাংলাদেশ।