
ধর্মান্তকরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের জালালখালিতে একটি ক্যাথলিক চার্চে ব্যাপক উত্তেজনা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেন্ট লুইস ক্যাথলিক চার্চের বাইরে একদল লোক জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এবং ধর্মান্তকরণ চলছে বলে অভিযোগ তোলে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং চার্চের সম্পত্তিতে হামলা চালানো হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই সেন্ট লুইস ক্যাথলিক চার্চের বাইরে একদল মানুষ জড়ো হন। তাদের অভিযোগ ছিল, ওই চার্চের ভেতরে ধর্মান্তকরণের কাজ চালানো হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ক্রমশ উত্তেজনা ছড়াতে থাকে এবং বিক্ষোভকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা চার্চের অস্থায়ী গেট ভেঙে ফেলে এবং সেখানে থাকা একটি মূর্তির কাচের আবরণ বা গ্লাস কভার ভাঙচুর করে। অপ্রত্যাশিত এই হামলায় ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
চার্চে ভাঙচুর ও উত্তেজনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পুলিশ এসে উত্তেজিত জনতাকে সরিয়ে দেয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণে আনে। চার্চ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কারা এই হামলার পেছনে জড়িত এবং ধর্মান্তকরণের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| ঘটনাস্থল | জালালখালি, কৃষ্ণনগর, নদিয়া |
| আক্রান্ত প্রতিষ্ঠান | সেন্ট লুইস ক্যাথলিক চার্চ |
| ঘটনার সময় | শুক্রবার সন্ধ্যা (১১ অক্টোবর) |
| হামলার কারণ (অভিযোগ) | চার্চের ভেতর ধর্মান্তকরণের কাজ চলার অভিযোগ |
| ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ | চার্চের অস্থায়ী গেট ও মূর্তির কাচের আবরণ ভাঙচুর |
| আইনি পদক্ষেপ | কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের এবং পুলিশের তদন্ত শুরু |