সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমীতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জৈনপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কুমারী পূজা। ৫১ পীঠের অন্যতম শ্রীশ্রী মহালক্ষ্মী গ্রিবা মহাপীঠে দ্বিতীয়বারের মতো এ পূজার আয়োজন করা হয়।
সোমবার সকালে মহাতীর্থ মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
ঢাক, ঢোল, কাঁসর, শঙ্খ ও ঘণ্টার মঙ্গলধ্বনির সঙ্গে পুরোহিতের বেদমন্ত্র পাঠের মধ্য দিয়ে সকাল ৮টায় পূজা শুরু হয়। পরে সকাল ১০টায় কুমারী দেবীর অধিষ্ঠান আচারের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষ হয়।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, নারীর মধ্যে নিহিত দেবী মহামায়ার শক্তি ও মাতৃরূপের বন্দনাই কুমারী পূজার মূল তাৎপর্য। এ পূজায় কুমারী কন্যার মধ্যে দেবী দুর্গার প্রতিরূপ কল্পনা করে তাঁর আরাধনা করা হয়।
আয়োজকেরা জানান, নারীশক্তির প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
তাঁদের মতে, কুমারী পূজা কেবল ধর্মীয় আচার নয়, নারীর শক্তি ও মাতৃরূপের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনেরও একটি প্রতীকী আয়োজন।
মহাপীঠে আয়োজিত কুমারী পূজায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্যের স্ত্রী দিনারা মালিক এবং সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তাঁর স্ত্রী সুমনা দাস।
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও মঙ্গলধ্বনির মধ্য দিয়ে মহাষ্টমীর এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।