Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

এইচএসসির ফলে ধস, ফেল প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ৮:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে। এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অন্যদিকে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।

এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সর্বনিম্ন পাসের হার দেখা গেছে। এর আগে ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ শতাংশ।

ইংরেজি ও আইসিটিতে বেশি অকৃতকার্য

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবার সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন ইংরেজি বিষয়ে। এ বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন। অন্যদিকে আইসিটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।

এই দুটি বিষয়েই মোট ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। ফলে সামগ্রিক ফল বিপর্যয়ে বিষয় দুটির প্রভাব বিশেষভাবে সামনে এসেছে।

২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

এবার দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

অন্যদিকে ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী এবার পাস করেছেন।

ফেল করা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষার সুযোগ

ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি জানান, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী যতটি বিষয়ে ফেল করেছেন, তাঁকে শুধু সেই বিষয়গুলোতেই পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

ফলে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুরো পরীক্ষায় আবার অংশ নিতে হবে না।

এবারের ফলাফলে পাসের হার কমে যাওয়া, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া এবং শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করার বিষয়গুলো দেশের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মান ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।