Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ৩ মে ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  12. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  13. শিল্প-সাহিত্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  14. সাম্প্রতিক বিশ্ব
  15. সারাবাংলার চিত্র
আলোচিত সপ্তাহের খবর

মনিরামপুরের মনোহরপুর কাচারীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন গুণী শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান

প্রতিবেদক
James Abdur Rahim Rana
মে ৩, ২০২৬ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

মনিরামপুরের মনোহরপুর কাচারীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন গুণী শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান

জেমস আব্দুর রহিম রানা: যশোরের মনিরামপুর মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর কাচারীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবসরপ্রাপ্ত তিনজন গুণী শিক্ষকের সম্মানে এক বর্ণাঢ্য বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের স্মৃতিচারণ, কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের মধ্য দিয়ে পুরো আয়োজনটি এক আবেগঘন পরিবেশে রূপ নেয়।

বিদায়ী শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন কালিদাস মন্ডল, শেখ নাজিম উদ্দিন এবং মো. গোলাম সরোয়ার।

কালিদাস মন্ডল ১৯৬৯ সালে শিক্ষকতায় যোগদান করে ২০০২ সালে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

শেখ নাজিম উদ্দিন ১৯৭১ সালে শিক্ষকতা শুরু করে ২০০৯ সালের ২৮ মার্চ অবসর গ্রহণ করেন।

গোলাম সারওয়ার ১ ডিসেম্বর ১৯৯৩ সালে চাপাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করে শিক্ষকতা জীবনের সূচনা করেন এবং মনোহরপুর কাচারীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সর্বশেষ প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০২৬ সালের মে মাসে অবসর গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই দাতা সদস্য বাবু গয়নাথ মন্ডল, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসমত আলী গাজী, অধ্যাপক মহিতোষ রায়, সুশান্ত সরকার, মশিয়াহাটি ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রণব কান্তি সরকার ও মনোহরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমানসহ অতিথিবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সম্বর্ধনা আয়োজন কমিটির সভাপতি রবিউল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বিদায়ী শিক্ষকদের দীর্ঘ অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার ফারুক মিন্টু, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মণিরামপুর উপজেলা শাখার সভাপতি জি. এম. মাকসুদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুন্দলী এসটি কলেজের অধ্যক্ষ সরদার লতিফ, মনোহরপুর কারিগরি ও বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী মোল্লা, সহকারী শিক্ষক জি. এম. আরিফুল ইসলাম, শেখর চন্দ্র বিশ্বাস, ইব্রাহিম আলম, কপালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিয় চক্রবর্তী, বয়ারখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তনুজা মল্লিক, কুশরীকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশীদ, শিক্ষক তাহমিনা পারভীন, সহকারী শিক্ষক রওশন আরা বেগম, সহকারী শিক্ষক তাহমিনা খাতুনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যেও বক্তব্য প্রদান করেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. হাসমত আলী, অধ্যাপক প্রণব কান্তি সরকার, কমরেড সঞ্জিত বিশ্বাস এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর, তাঁদের অবদান কখনো ভোলার নয়।

বিদায়ী শিক্ষকরা তাঁদের বক্তব্যে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের সাফল্যই তাঁদের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

অনুষ্ঠানে সাহিত্যিক অনুভূতির অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথের কবিতার উদ্ধৃতি উল্লেখ করা হয়— “যেতে নাহি দিতে হয় তবু যেতে দিতে হয়”—যা পুরো পরিবেশকে আরও আবেগময় করে তোলে।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক নাহিদা সুলতানা তন্নি, মো. সাজ্জাদুর রহমান ও মো. তাহিদুর রহমান বিশ্বাস।

শেষে বিদায়ী শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও মানপত্র তুলে দেওয়া হয় এবং তাঁদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

আবেগ, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় ভরা এই অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সকলের হৃদয়ে গভীর ছাপ রেখে যায়।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।