![]()
ঢাকায় বিশ্বকবির ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত, ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজন ‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের (আইজিসিসি) সহযোগিতায় এক বিশেষ সঙ্গীত ও আবৃত্তিসন্ধ্যার আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্ডিয়ান কালচারাল সেন্টারে ‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
- 🎤 শিরোনাম: ‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক সঙ্গীত ও আবৃত্তিসন্ধ্যা।
- 📍 স্থান: ইন্ডিয়ান কালচারাল সেন্টার, ঢাকা।
- 👥 অতিথি: বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী এবং আইজিসিসি-এর পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ।
- 🎶 শিল্পী: প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী স্বপনিল সজীব এবং স্বনামধন্য আবৃত্তিশিল্পী সামিউল ইসলাম পোলক।
সঙ্গীত ও কবিতায় রবি ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। তিনি ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন ঐতিহ্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন অবদানের কথা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন। এরপর ‘শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ’ থেকে শ্লোক পাঠের মাধ্যমে শিল্পী স্বপনিল সজীব তার পরিবেশনা শুরু করেন। তিনি ‘আগুনের পরশমণি’, ‘আমার হিয়ার মাঝে’, ‘তুমি রবে নীরবে’, ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’-এর মতো কালজয়ী গানগুলো গেয়ে শোনান।
আবৃত্তির মোহময় পরিবেশনা
অন্যদিকে, আবৃত্তিশিল্পী সামিউল ইসলাম পোলক পবিত্র ‘মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র’ দিয়ে তার পরিবেশনা শুরু করেন। তিনি ‘আরোগ্য’, ‘মরণ’, ‘গীতাঞ্জলি’, ‘শেষের কবিতা’ ও ‘ভানুসিংহের পদাবলী’ থেকে নির্বাচিত অংশ পাঠ করেন। মৃণালিনী দেবীকে লেখা চিঠি ও ‘কৃপাণ’-এর মতো রচনাগুলোর পাঠে ভক্তি, প্রেম, নশ্বরতা এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের থিমগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
সম্মাননা প্রদান ও সমাপ্তি
‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জীবনে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক, সাঙ্গীতিক ও দার্শনিক দর্শনের চিরস্থায়ী প্রভাবকে উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত শিল্পীদের হাতে স্মারক তুলে দেন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। এ সময় ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ উপস্থিত ছিলেন।
