![]()
যে গ্রামে মৃতদেহ কবর দেওয়া বা পোড়ানো হয় না: ইন্দোনেশিয়ার ট্রুনিয়ানের লোমহর্ষক রহস্য
বালি মানেই কি কেবল সোনালী সমুদ্র সৈকত, বিলাসবহুল রিসোর্ট আর ইনস্টাগ্রামের সুন্দর ছবি? এর বাইরেও বালির গভীরে লুকিয়ে আছে এমন কিছু রোমহর্ষক ও অদ্ভুত গল্প, যা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের লেক বাতুরারের (Lake Batur) একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত ‘ট্রুনিয়ান’ (Trunyan) নামের এক গ্রামে মৃত মানুষকে কবর দেওয়া হয় না, এমনকি পোড়ানোও হয় না। শত শত বছর ধরে চলা এই অদ্ভুত রীতিতে মৃতদেহ খোলা আকাশের নিচে রেখে দেওয়া হয়। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এত মৃতদেহ থাকার পরও সেখানে কোনো পচা দুর্গন্ধ পাওয়া যায় না!
- 📍 অবস্থান: বালি দ্বীপের লেক বাতুরারের প্রত্যন্ত অঞ্চল (ট্রুনিয়ান গ্রাম)।
- ⚰️ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া: মৃতদেহ কবর বা দাহ না করে খোলা আকাশের নিচে বাঁশের খাঁচায় রাখা হয়।
- 🌳 মূল রহস্য: বিশাল ‘তারু মেনিয়ান’ (Taru Menyan) গাছ মৃতদেহের দুর্গন্ধ শুষে নেয় বলে বিশ্বাস স্থানীয়দের।
- 🚤 যাতায়াত: মূল বারিয়াল সাইটে পৌঁছাতে হয় একমাত্র নৌকায় এবং স্থানীয় গাইড আবশ্যক।
তারু মেনিয়ান গাছের রহস্য নাকি বৈজ্ঞানিক কারণ?
সাধারণ পর্যটকদের পক্ষে সেখানে একা পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। মূল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার স্থানে যেতে হয় নৌকায় চড়ে এবং স্থানীয় গাইড ছাড়া এখানকার নিয়মকানুন ও পথঘাট বোঝা বেশ কঠিন। শত শত বছর ধরে চলে আসা এই রীতির পেছনে স্থানীয়দের অগাধ বিশ্বাস যে, সেখানে থাকা বিশাল এক ‘তারু মেনিয়ান’ (Taru Menyan) গাছ মৃতদেহের সব দুর্গন্ধ শুষে নেয় কিংবা ঢেকে দেয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এটি কি শুধুই স্থানীয় মানুষের অন্ধবিশ্বাস, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ? এই রোমাঞ্চকর রহস্য ভেদ করতেই স্থানীয় গাইডের সঙ্গে নৌকায় চেপে সেই বিচ্ছিন্ন স্থানে পৌঁছেছিলেন এক অভিযাত্রী।
একনজরে: ট্রুনিয়ান গ্রামের অদ্ভুত দাফন প্রথা
| বিষয় | বিবরণ ও তথ্য |
|---|---|
| গ্রামের নাম | ট্রুনিয়ান (Trunyan), বালি, ইন্দোনেশিয়া। |
| মৃতদেহ রাখার পদ্ধতি | খোলা আকাশের নিচে বাঁশের তৈরি খাঁচার ভেতর। |
| গন্ধ না থাকার কারণ (স্থানীয় বিশ্বাস) | ‘তারু মেনিয়ান’ গাছের সুগন্ধি বা শোষণ ক্ষমতা। |
| যোগাযোগ ব্যবস্থা | সম্পূর্ণ রিমোট এলাকা, পৌঁছাতে হয় নৌকায় করে। |
শীঘ্রই আসছে ইউটিউব ভিডিও
বালি দ্বীপের চেনা রূপের বাইরে এই অচেনা ও রহস্যময় দুনিয়ার গল্প ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে। ট্রুনিয়ান গ্রামের এই অদ্ভুত দাফন প্রথা, সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা এবং খোলামেলা মরদেহের মাঝেও দুর্গন্ধ না থাকার আসল রহস্য খুব শীঘ্রই একটি পূর্ণাঙ্গ ভিডিও আকারে ইউটিউবে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। বালির এই রোমাঞ্চকর ও শিহরণ জাগানো অভিজ্ঞতা দেখতে চোখ রাখুন ইউটিউব চ্যানেলে।
