![]()
জাতীয়
পত্রিকা: ‘পুলিশের কাজে ধীরগতির কারণে নিখোঁজ শিশুদের লাশ পাওয়া যাচ্ছে’
আজ সোমবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় আজও গুরুত্ব পেয়েছে কুমিল্লার কিশোর হত্যা ও এ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য। এছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির খবর প্রায় সব পত্রিকার প্রথম পাতায় দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউ ইয়র্ক সফরের খবরও আছে শীর্ষ সংবাদের তালিকায়।
নিউ এইজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম — “Many missing children turn up dead as police slow to act” অর্থাৎ পুলিশের ধীরগতির কারণে নিখোঁজ শিশুদের লাশ পাওয়া যাচ্ছে।
“২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরে নিখোঁজ হওয়ার পর অন্তত ২২০ শিশুর মরদেহ পাওয়া গেছে। তাদের অনেকের মরদেহ পচে যাওয়া বা গুরুতরভাবে বিকৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।”
দেশে শিশুদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরে নিখোঁজ হওয়ার পর অন্তত ২২০ শিশুর মরদেহ পাওয়া গেছে। তাদের অনেকের মরদেহ পচে যাওয়া বা গুরুতরভাবে বিকৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে ওই সময়ে মোট কত শিশু নিখোঁজ হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে কতজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান দেয়নি সংগঠনটি।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে নিখোঁজ শিশুদের বিষয়ে ১৫ হাজার ৭১৭টি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জন শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছে, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
নিখোঁজ শিশুদের একটি অংশ পরবর্তী সময়ে মৃত অবস্থায় পাওয়ার ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা এবং নিখোঁজের পর তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
⚠️ N:B / দৃষ্টি আকর্ষণ
এই সংবাদটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জনস্বার্থে ও শিশু নিরাপত্তা-সংক্রান্ত জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে পুনঃপ্রকাশ করা হয়েছে। তথ্যসূত্র নিউ এইজ, আসক (আইন ও সালিশ কেন্দ্র) এবং পুলিশ সদর দপ্তর। এখানে উপস্থাপিত তথ্য, পরিসংখ্যান, মন্তব্য বা দাবির জন্য TouchBangladesh কোনোভাবেই দায়ী নয়। পাঠকদের অনুরোধ — বিষয়টি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও যাচাইকৃত তথ্যের জন্য মূল সূত্র অনুসরণ করুন। কোনো আইনি অভিযোগ বা আপত্তি থাকলে তা সরাসরি মূল প্রকাশকের কাছে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
