![]()
অপরাধ ও বিচার
শাহজালাল বিমানবন্দরে ১,১৬৩টি কাছিমসহ এক ব্যক্তি আটক
ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশীয় প্রজাতির “কড়ি কাইট্টা” কাছিমসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ)।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক, পুলিশ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্যদের সঙ্গে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ডব্লিউসিসিইউ এবং কাছিমগুলো জব্দ করা হয়।
“তিনি জিজ্ঞাসাবাদের সময় তেমন কোনো তথ্য দিতে পারেননি। তিনি কেবল টাকার বিনিময়ে মালামাল পরিবহনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আমরা সন্দেহ করছি এর পেছনে একটি পাচার চক্র কাজ করছে এবং তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।” — আসিম মল্লিক, বন্যপ্রাণী পরিদর্শক
বন বিভাগের এক বিবৃতিতে আটক ব্যক্তির নাম মো. শাহিদুল ইসলাম (৫৭) বলে জানানো হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইলের বাসিন্দা এবং বাটিক এয়ার ফ্লাইটে (ওডি-১৬১) মালয়েশিয়াগামী যাত্রী ছিলেন।
পরে তাঁর লাগেজ তল্লাশি করে ১,১৬৩টি জীবিত “কড়ি কাইট্টা” কাছিম জব্দ করা হয়।
বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আসিম মল্লিক বিবিসি-এর সহযোগী সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ২৪-কে বলেন, “শনিবার রাতে পরিচালিত অভিযানের পর তাঁকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি তেমন কোনো তথ্য দিতে পারেননি।” তাঁর মতে, তিনি কেবল টাকার বিনিময়ে মালামাল পরিবহনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, “আমরা সন্দেহ করছি এর পেছনে একটি পাচার চক্র কাজ করছে এবং তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।”
বন বিভাগ জানায়, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া উদ্ধার করা কাছিমগুলোকে প্রাথমিক পরিচর্যা দেওয়ার পর শীঘ্রই তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
⚠️ N:B / দৃষ্টি আকর্ষণ
এই সংবাদটি bdnews24.com-এ প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জনস্বার্থে ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে পুনঃপ্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদের মূল সূত্র bdnews24.com। ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং এখানে উল্লেখিত অভিযোগ, দাবি ও বক্তব্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর নিজস্ব — যা নিরপেক্ষভাবে প্রমাণিত হয়নি। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। এখানে উপস্থাপিত তথ্য, মন্তব্য বা দাবির জন্য TouchBangladesh কোনোভাবেই দায়ী নয়। পাঠকদের অনুরোধ — বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতন থাকুন এবং পূর্ণাঙ্গ ও যাচাইকৃত তথ্যের জন্য মূল সূত্র অনুসরণ করুন। কোনো আইনি অভিযোগ বা আপত্তি থাকলে তা সরাসরি মূল প্রকাশকের কাছে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
