Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ১০ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

১৮৩৭ টাকার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ২২০০-২৫০০ টাকায়?

প্রতিবেদক
Louis Daru
অক্টোবর ১০, ২০২৬ ৪:৪৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

জাতীয় | অর্থনীতি ও বাজার

বাংলাদেশে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এলপিজি বাজারে চরম সংকট এবং অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধি নিয়ে যে অস্থিরতা দেখা গেছে, তা সরকারিভাবে গ্যাসের দাম নির্ধারণের পরও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ধারণা করা হয়েছিল নতুন দর নির্ধারণের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে। তবে বাস্তব চিত্রে দেখা গেছে, এখনো নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দরে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে এবং বাজারে তীব্র সরবরাহ ঘাটতির অভিযোগও রয়েছে।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও সংকটের সারসংক্ষেপ

  • 💰 সরকারি বনাম বাজার দর: বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৮৩৭ টাকা হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকায়।
  • ⚠️ অবিরাম সংকট: নতুন দর ঘোষণার পরও এলপি গ্যাসের বাজার স্বাভাবিক হয়নি এবং সরবরাহ ঘাটতি বজায় রয়েছে।
  • ⛓️ সাপ্লাই চেইনের কারসাজি: আমদানিকারক, ডিলার থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসায়ী—প্রতিটি স্তরেই অতিরিক্ত মুনাফা লোটার প্রতিযোগিতা চলছে।
  • 🍳 ভোক্তাদের চরম ভোগান্তি: নির্ধারিত দামে গ্যাস না পেয়ে সাধারণ গৃহস্থালির রান্নার বাজেটে মারাত্মক আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

বিইআরসির নির্ধারিত দর ও বাজারের বাস্তব চিত্র

বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। তবে বিইআরসির ঘোষিত এই দামের যৌক্তিকতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন রয়েছে, তেমনি বাস্তবেও এই দামে গ্যাস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গৃহস্থালির রান্নার জন্য এক সিলিন্ডার গ্যাস কিনতে গ্রাহকদের ২২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে।

সাপ্লাই চেইনের ধাপে ধাপে দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে

বাংলাদেশে গ্রাহক পর্যায় থেকে অপারেটর পর্যন্ত এলপিজির পুরো সাপ্লাই চেইনটি মূলত বেসরকারি ব্যবসায়ীদের দখলে। আমদানিকারক ও অপারেটর কোম্পানিগুলো এলপিজি বোতলজাত করে ডিলারদের মাধ্যমে সারাদেশে পাইকারি সরবরাহ করে। পরবর্তীতে ডিলারদের কাছ থেকে কিনে খুচরা বাজারে বিক্রি করেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। অনুসরণে দেখা গেছে, সাপ্লাই চেইনের প্রতিটি ধাপেই নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে, যার ফলেই এই অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

নিয়ন্ত্রণহীন বাজারে তদারকির অভাব ও গ্রাহকের কষ্ট

প্রতি মাসে বিশ্ববাজারের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি দাম ঘোষণা করলেও বাজারে তা কার্যকর করার জন্য পর্যাপ্ত তদারকির অভাব রয়েছে। অসাধু সিন্ডিকেটের দরবৃদ্ধি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের সাধারণ মানুষ। কার্যকর বাজার মনিটরিং না থাকলে সরকারি ঘোষণার কোনো সুবিধা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছাবে না বলেই মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

এক নজরে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ও সংকট চিত্র

বিষয় বিস্তারিত তথ্য
বিইআরসি নির্ধারিত দাম (১২ কেজি) ১৮৩৭ টাকা
খোলা বাজারে বর্তমান বিক্রয়মূল্য ২২০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা
দাম নির্ধারণী সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (BERC)
বাজার নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বেসরকারি আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ী নির্ভর
প্রধান সংকট সাপ্লাই চেইনের প্রতিটি স্তরে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন ও কৃত্রিম সরবরাহ ঘাটতি

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।