![]()
দুই পুলিশ গ্রেফতার, বরখাস্ত ৩
ঢাকা জেলা জজ আদালত থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বরত পুলিশের সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরাই ওই আসামিকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন বলে জিএমপির তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ইতোমধ্যে দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য তিনজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার এই তথ্য জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত পাঁচজন সদস্যের সবার বিরুদ্ধেই বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জিএমপি কমিশনার জানান, গত ২৭শে সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে ২৯ জন আসামিকে নিয়ে একটি প্রিজন ভ্যান কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গাড়িটি গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী থানার বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে মাদক মামলার এক আসামি কৌশলে পালিয়ে গেছে বলে প্রাথমিক দাবি করেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।
পরবর্তীতে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জিএমপি। তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, প্রিজন ভ্যানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা অনৈতিক সুবিধা ও অর্থের বিনিময়ে আসামিকে পালানোর সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। ঠিক কত টাকা লেনদেন হয়েছিল তা এখনও পুরোপুরি জানা না গেলেও, অভিযুক্ত এক পুলিশ সদস্যের বাসস্থান থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
