Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ১০ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ডিমের খোসায় হাজার হাজার ছিদ্র: প্রকৃতির চমৎকার সুরক্ষা ব্যবস্থা

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
অক্টোবর ১০, ২০২৬ ২:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

দেখতে একেবারেই নিরেট ও মসৃণ মনে হলেও একটি সাধারণ মুরগির ডিমের খোসায় থাকে প্রায় ৭ হাজার থেকে ১৭ হাজার অতি সূক্ষ্ম ছিদ্র। খালি চোখে অদৃশ্য এসব মাইক্রোস্কোপিক ছিদ্র মূলত ডিমের ভেতরের প্রাণ বা ভ্রূণের শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার প্রাকৃতিক পথ হিসেবে কাজ করে। প্রকৃতির এই অপূর্ব কৌশল একদিকে যেমন ডিমের ভেতরের ভ্রূণকে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা বাইরে বের করে দেয়, তেমনি ভেতরের অংশকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকেও সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখে।

ডিমের প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মূল দিকসমূহ

  • 🔬 মাইক্রোস্কোপিক ছিদ্র: ডিমের খোসায় ৭,০০০ থেকে ১৭,০০০ সূক্ষ্ম ছিদ্র থাকে যা প্রাকৃতিক ভেন্টিলেটর হিসেবে কাজ করে।
  • 🛡️ কিউটিকল আবরণ: খোসার বাইরের ‘কিউটিকল’ (Cuticle) স্তর বাতাস চলাচলে সাহায্য করলেও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ রোধ করে।
  • 🧬 লাইসোজাইম এনজাইম: অ্যালবুমেন বা ডিমের সাদা অংশে থাকা লাইসোজাইম (Lysozyme) যেকোনো ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে ভ্রূণকে সুরক্ষিত রাখে।

স্বয়ংক্রিয় প্রাকৃতিক ভেন্টিলেটর ও ভ্রূণের শ্বাস-প্রশ্বাস

ডিমের শক্ত খোসাটি কোনো সাধারণ আস্তরণ নয়, বরং এটি ভ্রূণের জীবন ধারণের জন্য তৈরি একটি নিখুঁত প্রকৌশল। হাজার হাজার অণুবীক্ষণিক ছিদ্রের মাধ্যমে বাইরের বাতাস থেকে অক্সিজেন ডিমের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ভেতরে জমে থাকা ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প বাইরে বের হয়ে যায়। এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ডিমের ভেতরের ছোট প্রাণটি ডিম ফুটে বের হওয়ার আগ পর্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে।

কিউটিকল ও লাইসোজাইম: জীবাণুর বিরুদ্ধে দ্বিমুখী প্রতিরক্ষা

হাজার হাজার ছিদ্র থাকার পরও কীভাবে ব্যাকটেরিয়া ডিমের ভেতরে ঢুকতে পারে না—তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতুহল দীর্ঘদিনের। গবেষণায় দেখা গেছে, ডিমের খোসার ঠিক ওপরে ‘কিউটিকল’ (Cuticle) নামের একটি অতি সূক্ষ্ম প্রোটিন স্তর থাকে যা একমুখী ফিল্টারের মতো কাজ করে। এটি বায়ুকে ভেতরে আসতে দিলেও ক্ষতিকর জীবাণুকে আটকে দেয়। তা সত্ত্বেও কোনো ব্যাকটেরিয়া যদি ভেতরে প্রবেশ করে, তবে ডিমের সাদা অংশে (অ্যালবুমেন) থাকা ‘লাইসোজাইম’ (Lysozyme) নামক শক্তিশালী এনজাইম সেই জীবাণুর কোষপ্রাচীর ভেঙে তা ধ্বংস করে ফেলে।

ডিমের গঠন ও প্রাকৃতিক সুরক্ষা কৌশল একনজরে

<td style="padding

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উপাদান / মাধ্যম কার্যক্রম ও প্রাকৃতিক ভূমিকা
মাইক্রোস্কোপিক ছিদ্র ৭,০০০-১৭,০০০টি ছিদ্রের সাহায্যে গ্যাstat ও আর্দ্রতা বিনিময় (ভেন্টিলেশন)
কিউটিকল (Cuticle) বাইরের আস্তরণ যা বাতাস চলাচলে সহায়তা করে কিন্তু ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে