Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ১৭ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৫৩

প্রতিবেদক
Louis Daru
আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

আন্তর্জাতিক | প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৫৩, ধ্বংসস্তূপে চলছে উদ্ধারকাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | TouchBangladesh
১৭ আগস্ট, ২০২৬

Earthquake

ন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ধ্বংসস্তূপ ও ভূমিধসের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। রোববারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশটিতে অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ এবং নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন আরও কয়েক হাজার বাসিন্দা।

ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি একনজরে

  • ⚰️ নিহত ও আহত: অন্তত ৫৩ জন নিহত এবং ১০০ জনের বেশি আহত।
  • 🏚️ বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি: ৯০০-এর বেশি বাড়িঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও অন্তত ৪৫০টি।
  • আশ্রয়হীন: প্রায় ৫,০০০ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
  • 📍 উৎপত্তিস্থল: পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্ডে থেকে ৬৮ কিলোমিটার দূরে, মাত্র ১০ কিমি গভীরে।

ধ্বংসস্তূপ ও ভূমিধসের নিচে জীবনের খোঁজ

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, শুধুমাত্র মাংগারাই (Manggarai) রিজেন্সিতেই ২৪ জন এবং প্রতিবেশী পূর্ব মাংগারাইয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সিক্কা, এনগাদা এবং এন্ডে এলাকায় আরও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ইন্দোনেশিয়ার ক্যাথলিক অধ্যুষিত ফ্লোরেস দ্বীপের ছয়টি রিজেন্সিজুড়ে ঘটা বড় ধরনের ভূমিধসে নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। ফ্লোরেস দ্বীপের পাহাড়ি জনপদগুলোকে সংযুক্তকারী প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রান্স-ফ্লোরেস হাইওয়ের বেশ কয়েকটি অংশ ভূমিধসের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।

একনজরে: ভূমিকম্প ও উদ্ধার তৎপরতা

বিষয় বিস্তারিত তথ্য
ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.৭ (রিখটার স্কেল)
নিহতের পরিসংখ্যান কমপক্ষে ৫৩ জন
আহত ও গৃহহীন শতাধিক আহত, প্রায় ৫ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে
ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি স্থাপনা স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গির্জাসহ অন্তত ১৬৭টি অবকাঠামো
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মাংগারাই ও পূর্ব মাংগারাই রিজেন্সি

ত্রাণ বিতরণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ

উদ্ধারকর্মীরা দুর্গতদের মাঝে চাল, রেডি-টু-ইট খাবার, পানীয় জল, কম্বল ও ওষুধ বিতরণ শুরু করেছেন। মাউমেরে এলাকার অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যালয়ের প্রধান ফাথুর রহমান বলেন, “আমরা বেশিরভাগ ভূমিধস পরিষ্কার করেছি এবং বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোর রাস্তা খুলে দিয়েছি, যদিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে উদ্ধার তৎপরতা বেশ ব্যাহত হচ্ছে।”

এদিকে শক্তিশালী আফটারশকের ভয়ে স্থানীয়রা নিজ বাড়িতে না ফিরে খোলা আকাশের নিচে তাঁবুতে রাত কাটাচ্ছেন। লাবুয়ান বাজোর এক কৃষক আনাস্তাসিয়া ইমাদ বলেন, “ভূমিকম্পের কাঁপুনি এতটাই তীব্র ছিল যে আমার বাড়ি প্রায় ধসে পড়েছিল। রাতে ঘুমানোর সময় আফটারশকে সেটি আমাদের ওপর ভেঙে পড়ার ভয়ে আমরা বাইরেই আছি।”

‘রিং অব ফায়ার’ ও অতীত দুর্যোগের স্মৃতি

১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ (Ring of Fire)-এ অবস্থিত হওয়ায় এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে। এই ফ্লোরেস দ্বীপেই ১৯৯২ সালে এক প্রলয়ংকারী ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০০৪ সালে সুমাত্রায় ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামিতে ২ লাখ ৩০ হাজার এবং সবশেষ ২০১৮ সালে সুলাওয়েসিতে ৪ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু হয়।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।