![]()
ঢাকার চারপাশের নদী দূষণমুক্ত করার কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
রাজধানীর চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগসহ অন্যান্য নদী, খাল ও ড্রেনের দূষণ রোধ এবং বর্জ্য অপসারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ পর্যালোচনা সভায় তিনি এই কড়া নির্দেশ প্রদান করেন।
- 🌊 ফোকাস নদী: বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা।
- 🎯 মূল লক্ষ্য: নদীর নাব্য ফেরানো, বর্জ্য অপসারণ ও বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন।
- 🤝 কর্মকৌশল: মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ।
- 💡 বিশেষ বার্তা: সরকারি নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করা।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত পরিবেশ
সহকারী প্রেস সচিব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার জানান, “ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশের উন্নয়ন এবং বৃত্তাকার নৌপথ” শীর্ষক এই বৈঠকে নদীর নাব্যতা ও স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিতে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “শুধু আমাদের জন্য নয়, আগামী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে হবে।”
একনজরে: বৈঠকে উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ
| নাম | মন্ত্রণালয় / পদবি |
|---|---|
| তারেক রহমান | প্রধানমন্ত্রী (সভাপতিত্ব করেন) |
| ড. আব্দুল মঈন খান | মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় |
| আব্দুল আউয়াল মিন্টু | মন্ত্রী, পরিবেশ মন্ত্রণালয় |
| খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির | মন্ত্রী, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় |
| শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি | মন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় |
| শেখ ফরিদুল ইসলাম | প্রতিমন্ত্রী |
ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার ওপর জোর
নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কেবল সরকারি নির্দেশের দিকে তাকিয়ে না থেকে নাগরিকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, পরিবেশ রক্ষায় আমরা শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য বসে থাকতে পারি না; আমাদের নিজেদেরও ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করতে হবে। ঢাকার বৃত্তাকার নৌপথ উন্নত করা গেলে নগরীর যানজট যেমন কমবে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও ফিরে আসবে বলে বৈঠকে মত প্রকাশ করা হয়।
