![]()
ট্রাইব্যুনালে নাশকতার আশঙ্কা, কিছু আসামির তৎপরতা সন্দেহজনক: চিফ প্রসিকিউটর
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে এক জরুরি ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। প্রসিকিউশনের কাছে গোপন তথ্য রয়েছে যে অভিযুক্তরা যেকোনো সময় বড় ধরণের নাশকতা (স্যাবোটাজ) ঘটানোর পরিকল্পনা করতে পারে।
- 🚨 স্যাবোটাজের তথ্য: আসামিদের গোপন অপতৎপরতা ও বিচার বিঘ্নিত করার চক্রান্তের তথ্য প্রসিকিউশনের হাতে।
- 🛡️ কড়া নিরাপত্তা: ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে নজরদারি জোরদার এবং সতর্কতামূলক বার্তা জারি।
- ⚖️ নতুন যুগোপযোগী আইন: দ্রুত বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’।
- 👥 ভুক্তভোগীদের বয়ান: ‘মায়ের ডাক’-এর ৫৫টি গুম হওয়া পরিবারের জবানবন্দি গ্রহণ শুরু করেছে তদন্ত সংস্থা।
গুমের তদন্ত শুরু হতেই শক্তিশালী অপরাধীদের দৌড়ঝাঁপ
চিফ প্রসিকিউটর জানান, গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সংস্থা আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করার পর থেকেই অপরাধীদের অপতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রোববার ৫৫টি ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জবানবন্দি দিতে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। অপরাধীদের অত্যন্ত শক্তিশালী উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধীদের বন্ধু মনে করার কোনো সুযোগ নেই, তারা যেকোনো সময় সুযোগ বুঝে আঘাত হানতে পারে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান
কোনো অপতৎপরতা বা নাশকতামূলক চিন্তা অপরাধীদের নিজেদের জন্যই ‘আত্মঘাতী’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আমিনুল ইসলাম। বিচার ও তদন্ত কার্যক্রম যাতে কোনোভাবে বিঘ্নিত হতে না পারে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকার এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সচেতন ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান তিনি। একই সাথে প্রস্তাবিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ কার্যকর হলে বিচারের গতি নতুন মাত্রা পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ও মামলার সারসংক্ষেপ
| বিষয় | তথ্য ও বিবরণ |
|---|---|
| বক্তব্য প্রদানকারী | মো. আমিনুল ইসলাম (চিফ প্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) |
| অভিযোগ উপস্থাপনকারী গোষ্ঠী | ‘মায়ের ডাক’ (৫৫টি গুম হওয়া পরিবারের উপস্থিতিতে জবানবন্দি গ্রহণ) |
| প্রধান আশঙ্কাজনক দিক | আসামিদের দ্বারা সম্ভাব্য স্যাবোটাজ বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানো |
| প্রস্তাবিত আইনি কাঠামো | গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন (যা গুমের বিচার ত্বরান্বিত করবে) |
