![]()
আট বছর আগে যে জাকার্তায় বাংলাদেশ ফুটবল লিখেছিল স্মরণীয় এক ইতিহাস, এবারও সেই শহরেই নতুন গল্পের স্বপ্ন নিয়ে যাচ্ছে জামাল ভূঁইয়াদের দল। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে শক্তিশালী উজবেকিস্তান, থাইল্যান্ড ও কাতারের সঙ্গে একই গ্রুপে থেকেও নকআউট পর্বে উঠেছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে কাতারের বিপক্ষে যোগ করা সময়ে জামাল ভূঁইয়ার গোলেই এসেছিল ঐতিহাসিক জয়।
এবারও প্রতিপক্ষের শক্তি কিংবা ফিফা র্যাঙ্কিংকে ভয় না পেয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শনিবার সকালে দেশে দলের শেষ অনুশীলন শেষে সতীর্থদের উদ্দেশে ৩৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার বলেন, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী হলেও ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ডিভিশন ওয়ানে ‘এ’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ১৩৬তম স্থানে থাকা মালয়েশিয়া। ২৮ সেপ্টেম্বর ১৪৮তম স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। এরপর ১ অক্টোবর স্বাগতিক ও বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১১৮তম স্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে জামালরা। বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম।
প্রতিপক্ষের র্যাঙ্কিংয়ে বড় ব্যবধান অবশ্য জামালের কাছে নতুন কিছু নয়। ২০১৮ সালে জাকার্তায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও কঠিন ছিল। উজবেকিস্তানের কাছে ৩-০ গোলে হারের পর থাইল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে বাংলাদেশ। এরপর শেষ ম্যাচে কাতারকে হারিয়ে জায়গা করে নেয় শেষ ষোলোতে। তিন প্রতিপক্ষই ছিল বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। তবু গ্রুপ বাধা পেরিয়ে নকআউট পর্বে উঠেছিল বাংলাদেশ।
সেই স্মৃতিই এবার সতীর্থদের মনে করিয়ে দিয়েছেন জামাল। তিনি বলেন, কাজটি কঠিন হলেও ২০১৮ সালের মতো এবারও অঘটন ঘটানো সম্ভব। তার ভাষায়, ২০১৮ সালে কেউ ভাবেনি বাংলাদেশ পরের রাউন্ডে উঠতে পারবে। কিন্তু দলটি শেষ পর্যন্ত শেষ ষোলোতে খেলেছিল। এবারও একই ঘটনা ঘটতে পারে।
ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষেও বাংলাদেশের রয়েছে সুখস্মৃতি। চার বছর আগে একই গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিকদের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল বাংলাদেশ। সেই অভিজ্ঞতাও এবার কাজে লাগাতে চান জামাল ভূঁইয়ারা।
ফিফা আসিয়ান কাপের ম্যাচ খেলতে শনিবার রাতেই জাকার্তার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা বাংলাদেশ দলের। সিঙ্গাপুরে যাত্রাবিরতির পর রোববার সকালে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে দলের।
