Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ভারি বৃষ্টিতে ডুবল ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, দুর্ভোগে নগরবাসী

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

রাজধানীতে ভারি বর্ষণে বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলি পানিতে তলিয়ে গেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় দমকা বাতাসের সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় ক্ষণে ক্ষণে বজ্রপাত ও পরে বাতাসের তীব্রতা কমলেও বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকে।

ভারি বৃষ্টিতে রাজধানীর মুগদা, খিলগাঁও, সবুজবাগ, গোড়ান, মানিকনগর, তালতলা, মতিঝিল, মালিবাগ, আরামবাগ, গুলিস্তান ও পল্টনসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগ, মুগদা ও গোড়ানের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। মানিকনগরের ব্যবসায়িক এলাকার অনেক দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েন। আরামবাগ মোড় থেকে ফকিরাপুল ও কাকরাইল সড়কের বিভিন্ন অংশে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়। মালিবাগে প্রধান সড়ক ও ফুটপাত ছাপিয়ে বিভিন্ন দোকানেপানি ঢুকে পড়ে।

জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা ও গণপরিবহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হন। মতিঝিলের রিকশাচালক মোতালেব হোসেন বলেন, পানি এত বেশি যে প্যাডেল মারা যায় না। আবার কোথাও সড়কে গর্ত রয়েছে কি না, সেটিও বোঝা যায় না। গোড়ান এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ বলেন, এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও রিকশা পাইনি। পেলেও স্বাভাবিক ভাড়ার দ্বিগুণের বেশি চাওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নালা-নর্দমা ও পাইপলাইনে জমে থাকা ময়লা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

গোড়ান রোডের বাসিন্দা তানজিল হোসেন বলেন, ছোটবেলা থেকেই এ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখে আসছি। বড় বড় পাইপ বসানো হলেও সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। প্লাস্টিক, পলিথিনসহ বিভিন্ন বর্জ্য পাইপে জমে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করছে।

আরেক বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, নতুন ড্রেন নির্মাণ করেই অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্ব শেষ করা হয়। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় এবং খোলা ডাস্টবিনের বর্জ্য পাইপলাইনে জমে থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।

স্থানীয়রা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।