Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ফ্রিজের যত্নে ছোট অভ্যাসেই বাড়ে আয়ু

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ৩:৫২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

ঘরের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলোর একটি রেফ্রিজারেটর। ওভেন, ওয়াশিং মেশিন কিংবা এয়ার কন্ডিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী বন্ধ রাখা গেলেও ফ্রিজকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সচল রাখতে হয়। পচনশীল খাবার সতেজ ও নিরাপদ রাখতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করা এই যন্ত্রটির সঠিক যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে এর কার্যক্ষমতা ও আয়ু।

সাধারণত ফ্রিজের ভেতরে খাবার পড়ে ছড়িয়ে গেলে কিংবা দৃশ্যমান ময়লা জমলেই তা পরিষ্কার করা হয়। তবে নিয়মিত ব্যবহারের কারণে তাক, ড্রয়ার ও দরজার ভেতরের অংশে জলীয় বাষ্পের আর্দ্রতা এবং খাবারের ক্ষুদ্র অবশিষ্টাংশ জমতে থাকে। সময়মতো পরিষ্কার না করলে এসব থেকেই দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে ফ্রিজের ভেতরের অংশ মুছে পরিষ্কার রাখা জরুরি।

ফ্রিজ অতিরিক্ত খাবারে ভরে রাখাও সমস্যার কারণ হতে পারে। এতে ঠান্ডা বাতাস ঠিকভাবে চলাচল করতে না পারায় কিছু খাবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি উষ্ণ হয়ে যেতে পারে। আবার কোথাও অতিরিক্ত ঠান্ডা জমে খাবারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে খাবার সংরক্ষণের পাশাপাশি ফ্রিজের ভেতরে পর্যাপ্ত জায়গা রাখাও জরুরি।

আধুনিক প্রযুক্তির রেফ্রিজারেটরগুলো অবশ্য এসব সমস্যা কমাতে নানা সুবিধা নিয়ে তৈরি হচ্ছে। যেমন, স্যামসাংয়ের ৭০০ লিটারের সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটরের নির্দিষ্ট মডেলগুলোতে রয়েছে ডিজিটাল ইনভার্টার কম্প্রেসর। প্রয়োজন অনুযায়ী কম্প্রেসরের কার্যক্ষমতা সামঞ্জস্য করার ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক স্থির রাখা এবং ওঠানামা কমানো সম্ভব হয়।

এ ধরনের রেফ্রিজারেটরে চারপাশে সমানভাবে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে ফ্রিজের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ঠান্ডা বাতাস পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি দুর্গন্ধ কমাতে ব্যবহৃত ছাঁকনি ফ্রিজের ভেতরের পরিবেশ দীর্ঘ সময় সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

ফ্রিজ ভালো রাখতে যেসব অভ্যাস জরুরি
নিয়মিত পরিষ্কার করুন: শুধু খাবার পড়ে গেলে নয়, নির্দিষ্ট সময় পরপর তাক, ড্রয়ার ও দরজার ভেতরের অংশ মুছে পরিষ্কার করুন।

অতিরিক্ত খাবার দিয়ে ভরে রাখবেন না: ঠান্ডা বাতাস চলাচলের জন্য ফ্রিজের ভেতরে পর্যাপ্ত জায়গা রাখুন।

দরজার রাবারের সিল পরীক্ষা করুন: সিল ঠিকভাবে আটকে না থাকলে ঠান্ডা বাতাস বের হয়ে যেতে পারে এবং ফ্রিজকে বেশি কাজ করতে হতে পারে।

অতিরিক্ত বরফ জমতে দেবেন না: প্রয়োজন অনুযায়ী বরফ পরিষ্কার করলে ফ্রিজের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঠান্ডা করবেন না: খাবার সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা নির্ধারণ করুন।

ফ্রিজের চারপাশে জায়গা রাখুন: বিশেষ করে দুই পাশ ও পেছনে কয়েক ইঞ্চি জায়গা ফাঁকা রাখলে তাপ বের হওয়ার সুযোগ থাকে।

দুর্গন্ধের উৎস দ্রুত সরিয়ে ফেলুন: নষ্ট বা দীর্ঘদিন পড়ে থাকা খাবার ফ্রিজে রেখে দেবেন না।

খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন: খাবার ঢেকে বা উপযুক্ত পাত্রে রাখলে দুর্গন্ধ ও ছড়িয়ে পড়া কমানো যায়।

আধুনিক প্রযুক্তি ফ্রিজের কার্যকারিতা বাড়ালেও ব্যবহারকারীর নিয়মিত যত্নের বিকল্প নেই। ছোট ছোট এসব অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে ফ্রিজের কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে এবং এর আয়ু বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।