Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ট্রাইব্যুনালের এজলাসে হট্টগোল, বিচারকের কাছে প্রসিকিউটরের ‘প্রোটেকশন’ দাবি

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের উঁচু স্বরে কথা বলাকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির এক পর্যায়ে নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে আদালতের কাছে ‘প্রোটেকশন’ বা সুরক্ষা চান প্রসিকিউটর এবিএম সুলতান মাহমুদ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

কী ঘটেছিল এজলাসে

সোমবার সকালে কারাগার থেকে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

মামলার চতুর্থ সাক্ষী হানিফ মিয়ার জবানবন্দি নেওয়ার মধ্য দিয়ে দিনের বিচারিক কাজ শুরু হয়। সাক্ষ্যের এক পর্যায়ে হানিফ মিয়া বলেন, জুলাই আন্দোলন চলাকালে বাড্ডা ও রামপুরা এলাকায় সংগঠিত অপরাধের জন্য ১৪ দলীয় জোটের নেতারা দায়ী। তিনি টিভিতে নেতাদের বৈঠক দেখে দমন-পীড়নের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে পারেন।

এ সময় প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাক্ষীকে প্রশ্ন করেন, “আপনি ১৪ দলের যাদের কথা বলছেন, তাদের নাম বলুন।”

প্রসিকিউটরের এই প্রশ্নে আসামির কাঠগড়া (ডক) থেকে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি উঁচু স্বরে প্রসিকিউটরের উদ্দেশ্যে বলেন, “এভাবে বললে তো হবে না। আমার ৪০ বছরের ওকালতির ক্যারিয়ার। আপনি সাক্ষীকে দিয়ে জোর করে নাম বলাচ্ছেন?”

জবাবে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ বলেন, “আপনি এভাবে চিৎকার করছেন কেন? আপনার কিছু বলার থাকলে আইনজীবীর মাধ্যমে বলুন।”

বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সুলতান মাহমুদ বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “মাই লর্ড, আমি প্রোটেকশন চাই।”

আইনজীবীদের যুক্তি-তর্ক

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্য প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, প্রসিকিউশনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট এবং সাক্ষী নিজে থেকে ১৪ দলের কথা বলায় নাম জানতে চাওয়া হয়েছে।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেন, নাম জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে সাক্ষীকে একটি নির্দিষ্ট দিকে পরিচালিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর জবাবে প্রসিকিউশন থেকে জানানো হয়, এটি কোনো ‘লিডিং প্রশ্ন’ নয়, বরং কেবল সুস্পষ্ট তথ্যের অনুসন্ধান।

তর্ক-বিতর্কের পর পুনরায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ শুরু হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।