![]()
কিউবা ইতিমধ্যে পতনের মুখে পড়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিউবার সরকার জনগণের ন্যূনতম চাহিদা মেটাতেও আর সক্ষম নয়।
স্থানীয় সময় সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও এই মন্তব্য করেন।
রুবিও বলেন, কিউবার বর্তমান ব্যবস্থা দেশের মানুষের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনতে পারছে না। তার মতে, দেশটিতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার স্বার্থে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।
তিনি বলেন, “বাস্তবতা হলো, কিউবা ইতিমধ্যে পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। দেশটিতে কার্যকর কোনো অর্থনীতি নেই। আর যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন, তারা এমন এক বিপ্লবের দোহাই দিয়ে যাচ্ছেন, যার মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২০ বছর আগে।”
সাক্ষাৎকারে কিউবার রাজনৈতিক ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে রুবিও দাবি করেন, এটি একটি কার্যকর সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষায়, “সব দিক বিবেচনাতেই কিউবা এখন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।”
দেশটির চলমান গভীর অর্থনৈতিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০২১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কিউবার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ নাগরিক দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। মানুষের এই গণহারে দেশত্যাগই প্রমাণ করে যে শাসনব্যবস্থাটি কতটা ব্যর্থ।
যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় একটি গণতান্ত্রিক রূপান্তর দেখতে চায় উল্লেখ করে রুবিও জোর দিয়ে বলেন, শুধু অর্থনৈতিক সংস্কার করে এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয়; এর সঙ্গে রাজনৈতিক স্বাধীনতাও নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি যোগ করেন, “রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া কিউবায় টেকসই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। এই দুটি প্রক্রিয়াকে অন্তত একই সঙ্গে সামনে এগিয়ে নিতে হবে এবং এর জন্য একটি উত্তরণকালীন পর্যায় বা রূপান্তরকাল প্রয়োজন।”
তথ্যসূত্র: আনাদোলু
