Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ভারতের উত্তরপ্রদেশে টানা বৃষ্টি-বন্যায় ৩ দিনে ৬২ জনের মৃত্যু

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

টানা বৃষ্টি এবং তার জেরে সৃষ্ট বন্যায় ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে শনি-রোব এবং সোম— ৩ দিনে অন্তত ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৪৬ জন এবং কমপক্ষে ১ হাজার ২১টি বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর খবর এসেছে সীতাপুর, লখিমপুর খেরি, বহরাইচ, বলরামপুর, অযোধ্যা এবং গোরক্ষপুরে। রাজ্যের আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে ভারতীয় দৈনিক দ্য হিন্দু জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের ৭৫টি জেলার মধ্যে ৬৩টিতে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়েছে এবং এই ৬৩ জেলার মধ্যে অন্তত ৮টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছি।

লখনউয়ের আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী অতুল কুমার সিং জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট আবহাওয়া ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায় সোমবার থেকে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে হালকা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গতকাল সোমবার থেকে রাজধানী লখনৌসহ বিভিন্ন এলাকায় স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলো থেকে দুর্গতদের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারের ত্রাণ বিভাগের কর্মকর্তারা।

টানা বৃষ্টির জেরে ঘাঘরা এবং রাপ্তী নদীর জলস্তরও ক্রমশ বাড়ছে। এর ফলে দুই নদীর আশপাশের নিচু এলাকাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার থেকেই বারাবঁকীর এলগিনব্রিজের কাছে ঘাগরা নদীর জলস্তর বিপদসীমা ওপর দিয়ে বইছে।

জনসাধারণকে জলমগ্ন এলাকা দিয়ে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলতে এবং খরস্রোতা নদী, খাল ও ড্রেন থেকে দূরে থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্গতদের কাছে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া দেওয়া হয়েছে ত্রাণ দপ্তরের কর্মকর্তাদের। দুর্যোগের জেরে মৃতদের পরিবারকেও আর্থিক সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার।

পূর্ব ভারতের রাজ্য ওড়িশাতেও বন্যা দেখা দিয়েছে, সেখানে ৭৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।