![]()
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগেই আটক হয়েছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে। আটকের সময় তিনি দাদির মৃত্যুর খবর পান। তবে দাদির শেষকৃত্যে যোগ দিতে নিজ শহরে যাওয়ার জন্য পুলিশের দেওয়া সহায়তার প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ।
রোববার (১১ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ জানায়, অভিজিৎ দীপকে সংবেদনশীলতার সঙ্গে তাঁর দাদির মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল। শেষকৃত্যে অংশ নিতে নিজ শহরে যাওয়ার জন্য তাঁকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি।
এর আগে অভিজিৎ দীপকের মা পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে দাদির মৃত্যুর খবর জানানো সম্ভব হয়নি।
তবে পরিবারের অভিযোগের জবাবে দিল্লি পুলিশ জানায়, দাদির মৃত্যুর খবর দ্রুতই অভিজিৎ দীপকে জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে শেষকৃত্যের নির্ধারিত সময় সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, মানবিক বিবেচনায় অভিজিৎ দীপকে নিজ শহরে যাওয়ার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেই সহায়তা নিতে অস্বীকৃতি জানান।
বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি পুলিশ
শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির তিন নেতাকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে অভিজিৎ দীপকে ছাড়াও ছিলেন আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। প্রশাসনিক বিধিনিষেধের কথা উল্লেখ করে ওই বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।
পরে তিন নেতাকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় আটক করা হয়। রোববার সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।
সিজেপির আইনি বিষয়ক প্রধান রত্না সিং জানান, এক বছর পর্যন্ত শান্তিভঙ্গ না করার শর্তে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে তিন নেতার মুক্তিকে ‘বড় আইনি জয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে ককরোচ জনতা পার্টি।
সূত্র: সিয়াসত
