Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ভারতে স্টারলিংক আটকে রাখার অভিযোগ ইলন মাস্কের

প্রতিবেদক
Louis Daru
অক্টোবর ১১, ২০২৬ ৫:৩৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

প্রযুক্তি | আন্তর্জাতিক সংবাদ

ধনকুবের ইলন মাস্কের একটি গুরুতর অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। মাস্ক দাবি করেছিলেন, “কিছু অলিগার্ক” বা পুঁজিপতি ভারতে তার স্টারলিংক স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন পরিষেবার অনুমোদন আটকে রেখেছে। এর জবাবে ভারতের টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তাদের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অনুমোদন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ন্যায্য ও বৈষম্যহীন বলে দাবি করে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছে।

অভিযোগ ও পালটা জবাবের সারসংক্ষেপ

  • 🗣️ মাস্কের অভিযোগ: একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখতে ভারতে স্টারলিংকের অনুমোদন আটকে রাখা হয়েছে।
  • 🛡️ সরকারের জবাব: প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ন্যায্য; বর্তমানে তিনটি প্রতিষ্ঠান একই ধরনের নিরাপত্তা মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
  • 🏢 প্রতিযোগিতায় যারা: মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স জিও এবং সুনীল মিত্তালের ভারতী এয়ারটেলও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
  • ⚠️ নিরাপত্তা শঙ্কা: ২০২৪ সালে মাদক বিরোধী অভিযান ও সেনা অভিযানে স্টারলিংক ডিভাইস মেলায় নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে।

মাস্কের অভিযোগ ও ভারত সরকারের জবাব

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) দেওয়া এক পোস্টে ইলন মাস্ক দাবি করেন, ভারতীয় জনগণের ওপর নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির ‘একচেটিয়া আধিপত্য’ বজায় রাখতেই স্টারলিংককে আটকে রাখা হচ্ছে। তিনি একে ‘ভারতীয় জনগণের বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলেও মন্তব্য করেন। তবে বৃহস্পতিবার ভারতের টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অনুমোদন প্রক্রিয়াটি অন্যায্য বা বৈষম্যমূলক বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুল। বিবৃতিতে মাস্ক বা স্টারলিংকের নাম সরাসরি উল্লেখ না করেই জানানো হয় যে, তিনটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান বর্তমানে একই নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে রয়েছে এবং সবারই নিরাপত্তা মূল্যায়ন চলছে।

টেলিকম বাজারে জিও-এয়ারটেলের আধিপত্য

ভারতের টেলিযোগাযোগ খাত মূলত বিলিয়নেয়ার মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন রিলায়েন্স জিও এবং সুনীল মিত্তালের ভারতী এয়ারটেলের দখলে রয়েছে। এই দুই প্রতিষ্ঠানও স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের ব্যবসায় প্রবেশ করেছে। প্রাথমিক অনুমোদন পেলেও তারা এখনো চূড়ান্ত ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছে। স্পেকট্রাম বা তরঙ্গ বরাদ্দ নিয়ে এর আগেও আম্বানি ও মিত্তালের সঙ্গে মাস্কের মতবিরোধ হয়েছিল। গত বছর তারা স্টারলিংক সিস্টেম একসাথে বিতরণের বিষয়ে একমত হলেও, সেই সহযোগিতার সম্পর্ক এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে বলে মনে হচ্ছে।

স্টারলিংকের দীর্ঘ অপেক্ষা ও নিরাপত্তা শঙ্কা

স্টারলিংক ভারতে বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরু করার লাইসেন্সের জন্য ২০২২ সাল থেকে অপেক্ষা করছে। গত বছর তারা টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স এবং ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার ছাড়পত্রও পেয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে একটি মাদক বিরোধী অভিযান এবং মণিপুর রাজ্যে সেনাবাহিনীর একটি কার্যক্রমে স্টারলিংক ডিভাইস উদ্ধার হওয়ায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সন্দেহ ও সতর্কতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এক নজরে প্রাসঙ্গিক তথ্যচিত্র

বিষয় বিস্তারিত তথ্য
আলোচিত প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক (স্পেসএক্স)
মাস্কের অভিযোগ অলিগার্করা ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের একচেটিয়া বাজার ধরে রাখতে স্টারলিংককে বাধা দিচ্ছে
ভারত সরকারের বক্তব্য অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ন্যায্য, মাস্কের অভিযোগ ভিত্তিহীন
প্রধান প্রতিযোগী রিলায়েন্স জিও (মুকেশ আম্বানি) এবং ভারতী এয়ারটেল (সুনীল মিত্তাল)
অপেক্ষার সময়কাল বাণিজ্যিক লাইসেন্সের জন্য ২০২২ সাল থেকে অপেক্ষারত
নিরাপত্তা শঙ্কা আন্দামান ও মণিপুরে অবৈধ কাজে স্টারলিংক ডিভাইস উদ্ধার (২০২৪)

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।