Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

বরগুনায় ৬ মাসেই ধসে পড়ল ১.৪০ কোটি টাকার বাঁধ

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ২:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

 

বরগুনা সদর উপজেলার পোটকাখালী আশ্রয়ণ প্রকল্পের উত্তর পাশে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি রিং বেড়িবাঁধ ছয় মাসের মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়েছে। বাঁধের গাইডওয়ালের অংশবিশেষও ভেঙে পাশের খালে পড়েছে। নির্মাণকাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন এবং খালে গাইডওয়ালের ভেঙে পড়া অংশ দেখা যায়।

দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস প্রকল্পের আওতায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) অর্থায়নে বাঁধটি নির্মাণ করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা জাগোনারী।

নির্মাণকাজ নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিয়ম অনুযায়ী দূরবর্তী স্থান থেকে ৪০ শতাংশ মাটি পরিবহণ করে বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। পরিবর্তে পাশের খাল খনন করে তোলা মাটি দিয়েই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে বাঁধের পাশের মাটি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়।

তাঁদের আরও দাবি, প্রকল্পের আওতায় ৬৫০ মিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও বাস্তবে নির্মাণ করা হয়েছে ৬২৮ মিটার।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ইব্রাহিম বলেন, নতুন রাস্তা হওয়ায় তাঁদের চলাচলের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করেছিলেন। কিন্তু সেই দুর্ভোগ থেকেই গেছে।

তিনি বলেন, বৃষ্টির সময় কাদামাটি দিয়ে রাস্তার কাজ করায় মাটি ধুয়ে নেমে যায়। এ কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই বাঁধ ও গাইডওয়ালের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা খালেক হাওলাদারের অভিযোগ, জাগোনারীর যথাযথ তদারকির অভাবে নির্মাণকাজের মান খারাপ হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যেই বাঁধের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দেয়।

অতিবৃষ্টিকে দায়ী করছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা

জাগোনারীর প্রধান নির্বাহী হোসনে-আরা হাসি বলেন, বাঁধ নির্মাণের কাজটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে বাঁধটি ভেঙে গেছে বলে তাঁর দাবি। বাঁধের পাশে নির্মিত গাইডওয়ালও ভেঙে পড়েছে বলে জানান তিনি।

হোসনে-আরা হাসি আরও বলেন, এ প্রকল্পের কাজ নিয়ে এর আগে তাঁর নামে একটি মামলা হয়েছিল। এ ছাড়া ঠিকাদারের কাছ থেকে পাঁচ শতাংশ নিরাপত্তা জামানত রাখা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় সাত লাখ টাকা।

বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টি কমে গেলে ঠিকাদাররা বাঁধটি মেরামতের কাজ করবেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, ঠিকাদার মো. মিল্টন বাঁধ ধসে পড়ার জন্য নকশার ত্রুটিকে দায়ী করেছেন। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে মেরামতের কাজ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

বরগুনা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, নির্মাণকাজ তদারকির জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তবে জাগোনারী কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করলেও তদারকির জন্য

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।